আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

অভিযোগ নিয়ে নারায়ণগঞ্জ ডিসি অফিসে আ.লীগ নেতারা

news-image

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, আমরা বিশ্বাস করি নির্বাচনটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ এবং আনন্দ উৎসব ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। এখানে সন্দেহের কোনো কারণ নেই। আমরা আজকে এখানে কোনো গোপন বৈঠক করিনি। প্রধান ফটক দিয়েই ঢুকেছি এবং প্রধান ফটক দিয়েই বের হচ্ছি। ফলে এখানে লুকোচুরির কোনো বিষয় নেই।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নানক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমরা একটি দল করি, দলের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে আছি। আমরা তো আসতেই পারি জেলা প্রশাসকের কাছে আলাপ করতে। যেন একটি সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়। কোনভাবেই যেন নারায়ণগঞ্জের শান্তি ভঙ্গ না হয়। এ ব্যাপারে তো আমরা আবেদন রাখতেই পারি।

নানক বলেন, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য যে কেন্দ্রগুলো ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে সে কেন্দ্রগুলোতে যদি ঝুঁকির সৃষ্টি হয় তাহলে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনটি আনন্দ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে কাউন্সিলর প্রার্থীদেরও অভিনন্দন জানাই। তারাও অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষা করেছে। এই পরিবেশের মধ্য দিয়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয় আশ্বস্ত করেছেন যে আগামীকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক পরিমান সদস্য মাঠে থাকবেন। র‌্যাব পুলিশসহ সাদা পোশাকে পুলিশ থাকবে। যাতে কোনো ধরনের শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত না হয়।

তবে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, ‘নানক সাহেবেরা মূলত কিছু অভিযোগ নিয়ে এসেছিল। কিছু কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে সেখানে অতিরিক্ত ফোর্স নিয়োগের অনুরোধ করেছেন।’

তবে এই মূহুর্তে তাঁরা বৈঠকে বসতে পারেন কী-না এমন প্রশ্নের জবাবে ডিসি বলেন, ‘আমাদের কাছে যে কেউ আসতে পারে। অন্যপক্ষের সঙ্গেও আমরা বৈঠক করেছি। তবে আমি শতভাগ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে তাদের সহায়তা কামনা করেছি। তারাও আমাদের আশ্বস্ত করেছে।’

এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে কোনো কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ নয়। ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে পুলিশ। তারা আমাদের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে। হয়রানি করছে। টেলিফোনে হুমকি দিচ্ছে। আমি মনে করি এই অবস্থা সেদিন থেকে তৈরি হয়েছে যেদিন জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন- তৈমূর সাহেব আপনি ঘুঘু দেখেছেন, ঘুঘুর ফাঁদ দেখেননি। আগামি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেটা দেখতে পাবেন।

তৈমূর বলেন, আমার নেতাকর্মী নয় প্রয়োজনে আমাকে গ্রেপ্তার করুন। আমি জেলে বসেই নির্বাচনে পাস করব ইনশাল্লাহ। এ ব্যাপারে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

জনগণের টাকায় আমাদের সংসার চলে : ডিসিদের রাষ্ট্রপতি

সিদ্ধিরগঞ্জে সেনা সদস্য হত্যার ঘটনায় ৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ৪ ইটভাটার মালিককে ২১ লাখ টাকা জরিমানা

টাঙ্গাইলে তিন ইটভাটা ধ্বংস, ৯ টিকে সাড়ে ২৭ লাখ টাকা জরিমানা

সাড়ে ৬ কোটি টাকা পাচারের চেষ্টা ঢাকার আরএম সোর্সিংয়ের

বহিষ্কার করলেও দল পরিবর্তন করবো না : তৈমূর

নদীতে মাটি কাটায় ট্রাক্টর জ্বালিয়ে দিলেন ইউএনও

পুলিশের বিরুদ্ধে আ.লীগ নেতার বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ

‘ডিসিরাও উন্নয়ন প্রকল্প তদারকি করবেন’

ফেরি ও ঘাট সংকটে তীব্র যানজট

দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর স্পিডবোট ব্যবসা বন্ধের অভিযোগ

নাসিক নির্বাচন : পুত্রবধূর কাঁধে চড়ে বৃদ্ধার ভোট