আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

অভয়নগরের ইছামতী খাল খালের বালু তুলে খাল ভরাট অবৈধভাবে বালু তুলে সেতুর নিচের খাল ভরাট করা হচ্ছে। খালের পাড় ভাঙনের আশঙ্কা।

news-image

খালের ওপর নির্মিত পুরোনো সেতুটি ভেঙে নির্মাণ করা হচ্ছে নতুন সেতু। আর নির্মাণাধীন সেতুর নিচের খাল ভরাট করার জন্য খালের অপর অংশ থেকে যন্ত্রের মাধ্যমে বালু তোলা হচ্ছে। আর এভাবে যশোরের অভয়নগর উপজেলায় ইছামতী খাল থেকে অবৈধভাবে বালু তুলে সেতুর নিচের খাল ভরাট করা হচ্ছে। বালু উত্তোলনের ফলে খালের পাড় ভাঙনের আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) গ্রামীণ সেতু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় অভয়নগর উপজেলার ভাঙ্গাগেট বাদামতলা-আমতলা ভায়া মরিচা নাউলী বাজার সড়কের ইছামতী খালের ওপর ৬০ দশমিক ০৫ মিটার আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করা
হচ্ছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা। মাদারীপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আনোয়ারা ট্রেডার্স সেতুটি নির্মাণের কাজ করছে। গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর সেতুটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে এবং ২০২৩ সালের ১৮ জুন তা শেষ হওয়ার কথা।

গত মঙ্গলবার ইছামতী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, খালটির দৈর্ঘ্য প্রায় সাত কিলোমিটার। সেতু থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে ইছামতী খালে ভাসছে দুটি পাটাতন (বোর্ড)। কয়েকটি প্লাস্টিকের তেলের ড্রামের ওপর তক্তা বিছিয়ে বাঁশের সঙ্গে মোটা দড়ি দিয়ে বেঁধে তৈরি করা হয়েছে পাটাতন। দুটি বালু তোলার যন্ত্র (ডিজেলচালিত অগভীর নলকূপের মোটর) রয়েছে একটি পাটাতনের ওপর। একটু দূরে রয়েছে অপর পাটাতন। এই পাটাতনের ওপর রয়েছে একটি বালু তোলার যন্ত্র। ভাসমান পাটাতনটি সুবিধামতো খালের বিভিন্ন স্থানে সরানো হচ্ছে। পাটাতনের ওপর রাখা যন্ত্র থেকে পাইপ খালে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই পাইপ দিয়ে খাল থেকে বালু কেটে ওপরে তোলা হচ্ছে। সেই বালু যন্ত্রের সাহায্যে প্লাস্টিকের পাইপের মাধ্যমে অপর পাটাতনে পাঠানো হচ্ছে। পাটাতনের ওপর রাখা দুইটি যন্ত্র পানির সঙ্গে সেই বালু প্লাস্টিকের পাইপের মাধ্যমে সামনে ঠেলে দিচ্ছে। প্রায় ২০০ গজ দূরে বালু গিয়ে পড়ছে নির্মাণাধীন সেতুর নিচের খালে। বালু পড়ে ভরাট হচ্ছে খালের ওই জায়গা। বালু যাতে বেরিয়ে না যায়, সে জন্য জাল দিয়ে কিছুটা জায়গা ঘিরে রাখা হয়েছে। কয়েকজন শ্রমিক বালু ছড়িয়ে জায়গা সমান করছেন। তবে সেতুর নির্মাণকাজের কোনো সাইনবোর্ড কোথাও চোখে পড়েনি।

তিনজন শ্রমিক পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়ে বালু তোলার কাজ করছিলেন। তাঁদের একজন বাবু হাওলাদার বলেন, ‘খালের ৪০ ফুট গভীরে পাইপ ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার নিচে ১০ ফুট জায়গা থেকে বালু কাটা হচ্ছে। তীর যাতে না ভাঙে সে জন্য আমরা খালের মাঝ থেকে বালু কাটছি।’ অপর শ্রমিক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দুই মাস আগে ব্রিজের কাছ থেকে বালু কাটা শুরু হয়েছে। বালু কাটতে কাটতে আমরা সামনের দিকে এগোচ্ছি। মধ্যে অনেক দিন কাজ বন্ধ ছিল। তিন দিন আগে আবার কাজ শুরু করেছি।’
গত মঙ্গলবার ইছামতী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, খালটির দৈর্ঘ্য প্রায় সাত কিলোমিটার। সেতু থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে ইছামতী খালে ভাসছে দুটি পাটাতন (বোর্ড)। কয়েকটি প্লাস্টিকের তেলের ড্রামের ওপর তক্তা বিছিয়ে বাঁশের সঙ্গে মোটা দড়ি দিয়ে বেঁধে তৈরি করা হয়েছে পাটাতন। দুটি বালু তোলার যন্ত্র (ডিজেলচালিত অগভীর নলকূপের মোটর) রয়েছে একটি পাটাতনের ওপর। একটু দূরে রয়েছে অপর পাটাতন। এই পাটাতনের ওপর রয়েছে একটি বালু তোলার যন্ত্র। ভাসমান পাটাতনটি সুবিধামতো খালের বিভিন্ন স্থানে সরানো হচ্ছে। পাটাতনের ওপর রাখা যন্ত্র থেকে পাইপ খালে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই পাইপ দিয়ে খাল থেকে বালু কেটে ওপরে তোলা হচ্ছে। সেই বালু যন্ত্রের সাহায্যে প্লাস্টিকের পাইপের মাধ্যমে অপর পাটাতনে পাঠানো হচ্ছে। পাটাতনের ওপর রাখা দুইটি যন্ত্র পানির সঙ্গে সেই বালু প্লাস্টিকের পাইপের মাধ্যমে সামনে ঠেলে দিচ্ছে। প্রায় ২০০ গজ দূরে বালু গিয়ে পড়ছে নির্মাণাধীন সেতুর নিচের খালে। বালু পড়ে ভরাট হচ্ছে খালের ওই জায়গা। বালু যাতে বেরিয়ে না যায়, সে জন্য জাল দিয়ে কিছুটা জায়গা ঘিরে রাখা হয়েছে। কয়েকজন শ্রমিক বালু ছড়িয়ে জায়গা সমান করছেন। তবে সেতুর নির্মাণকাজের কোনো সাইনবোর্ড কোথাও চোখে পড়েনি।

তিনজন শ্রমিক পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়ে বালু তোলার কাজ করছিলেন। তাঁদের একজন বাবু হাওলাদার বলেন, ‘খালের ৪০ ফুট গভীরে পাইপ ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তার নিচে ১০ ফুট জায়গা থেকে বালু কাটা হচ্ছে। তীর যাতে না ভাঙে সে জন্য আমরা খালের মাঝ থেকে বালু কাটছি।’ অপর শ্রমিক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দুই মাস আগে ব্রিজের কাছ থেকে বালু কাটা শুরু হয়েছে। বালু কাটতে কাটতে আমরা সামনের দিকে এগোচ্ছি। মধ্যে অনেক দিন কাজ বন্ধ ছিল। তিন দিন আগে আবার কাজ শুরু করেছি।’

খালের পারে ইছামতী জেলে পল্লি। পল্লির বাসিন্দা সনজিদ শিকদার বলেন, ‘খালের অনেক গভীর থেকে গত প্রায় দুই মাস ধরে বালু তোলা হচ্ছে। সেতু থেকে বালু তুলতে তুলতে প্রায় ২০০ গজ দূরে চলে এসেছে। আগে চারটি মেশিন দিয়ে বালু তুলতো। এখন তুলছে দুটি মেশিন দিয়ে। এতে খালের তীর ভাঙছে। যেকোনো সময় পাশে বাড়িঘর খালের মধ্যে চলে যেতে পারে।’

উপজেলার শুভরাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা সেতু চাই, তবে খাল ধ্বংস করে নয়। যেভাবে খাল থেকে বালু তোলা হচ্ছে, তাতে আশপাশের বাড়িঘর, ফসলি জমি ও গাছপালা ভেঙে খালের মধ্যে পড়বে।’

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আনোয়ারা ট্রেডার্সের প্রকল্প ব্যবস্থাপক লিটন মিয়া বলেন, ‘খালের মধ্যে পাইল করার জন্য বালু দিয়ে কিছুটা উঁচু করা হচ্ছে। এ জন্য দুই মাস আগে ১৫-২০ দিন সেতুর কাছে খাল থেকে কিছু বালু তোলা হয়েছে। মাঝখানে কাজ বন্ধ ছিল। তিন-চার দিন হলো আবার কিছু বালু তোলা হচ্ছে। আর অল্প কিছু বালু লাগবে। কিন্তু বালু ঠিকমতো উঠছে না।’

অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দীন বলেন, ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হচ্ছে। খাল থেকে বালু তোলার ব্যাপারে সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

পদ্মা সেতু: শিল্পের জন্য প্রস্তুত গোপালগঞ্জ

এখন যানবাহনের অপেক্ষায় ফেরি

ফেরিতে পাঁচ ভাগের এক ভাগে নেমে এলো ছোট গাড়ি

বাঁশখালীতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিস্ফোরণ

মানিকগঞ্জে পদ্মা সেতুর লাইভ অনুষ্ঠানে অস্ত্র নিয়ে মহড়া, সাংবাদিক গ্রেপ্তার

উল্লাসে মেতেছে পদ্মা পাড়ের মানুষ

চার মাস না যেতেই উঠছে ৯ কোটি টাকার সড়কের পিচ

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পিঠা উৎসব

নদী ভাঙা মানুষের বিলাপ

সাঁতরে মঞ্চে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলল কিশোরী

বঙ্গবন্ধুর শ্রেষ্ঠ উপহার স্বাধীনতা, আর প্রধানমন্ত্রীর শ্রেষ্ঠ উপহার পদ্মা সেতু : পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী

সেতুর উদ্বোধনে ফায়ার সার্ভিসের শোভাযাত্রা