আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

আরিচা ফেরিঘাটে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

news-image

ঈদ উপলক্ষ্যে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ বাড়ি ফিরছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজীরহাট নৌপধ দিয়ে। রবিবার সকাল থেকেই আরিচা ঘাটে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ। স্বাস্থ্যবিধি ছাড়াই ফেরি ও লঞ্চে যাত্রী পারাপার করার ফলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

স্থানীয় প্রশাসন মাইকিং করাসহ বিভিন্নভাবে স্বাস্থ্যবিধি পালনের চেষ্টা করলেও ঘাট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় যাত্রীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যায়নি। এ নৌরুটে ৩৪টি লঞ্চ ৩টি ফেরি চলাচল করছে।
সরেজমিনেে আরিচা লঞ্চ ও ফেরি ঘাটে দেখা গেছে, যাত্রীরা গাদাগাদি করে লঞ্চ ও ফেরিতে উঠছে। ফেরি ও লঞ্চে যাত্রীদের সামাজিক দূরত্ব ও করোনা সংক্রমণরোধে ঘাট কর্তৃপক্ষকে উদাসীন দেখা গেছে। হুড়োহুড়ি আর চরম অব্যাবস্থাপনায় স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ফেরি ও লঞ্চে করে পার হচ্ছেন যানবাহন ও যাত্রীরা। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী লঞ্চে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের আইন মানা হচ্ছেনা। স্রোতের মধ্যে এ রুটে অতিরিক্ত যাত্রী ভর্তি ছোট ছোট লঞ্চগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ফেরিতেও একই অবস্থা। লঞ্চে স্থান না পেরে ফেরিতেও অনেক যাত্রী পদ্মা পার হচ্ছে।

আরিচা লঞ্চ ঘাটের সুপারভাইজার আব্দুল হাই জানান, ঈদের কারণে যাত্রীর অনেক চাপ। আমরা সরকারি নির্দেশনা মেনেই যাত্রী পরিবহন করি। তবে মাঝে মাঝে দুয়েকটা লঞ্চে একটু বেশী যাত্রী পার হয়।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসি’র আরিচা কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান বলেন, লঞ্চে অধিক যাত্রীর বিষয়ে ইজারাদাররা বলতে পারবে। সে বিষয়ে আমরা জানিনা। আর ফেরিতে যাত্রী বেশি উঠলে সে দায়িত্বও আমাদের না। আমাদের লোকজন সামলানোর মত এত লোকবল নেই। উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ফেরিতে যিাত্রীরা গাদাগাদি করে উঠলে সে দায় কি আমাদের? সেখানে পুলিশ আছে, তারা কি করে?