আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

আশুলিয়ায় নৌকায় সিলযুক্ত ৪ ব্যালট বই উদ্ধার, কেন্দ্র দখলের অভিযোগ

news-image

সাভারের আশুলিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কেন্দ্র দখল নিয়ে ২ কেন্দ্রে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একটি কেন্দ্র থেকে নৌকা প্রতীকে সিল মারা অবস্থায় ৪টি ব্যালট বই উদ্ধারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ভোটাররা জানান, আজ বুধবার সকালে আশুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ (কলেজ শাখা) কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর লোকজন ও ফুটবল প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী কেন্দ্র দখল করে ব্যালট বই নিয়ে নৌকায় সিল মেরে ব্যালট বাক্সে ফেলতে থাকেন। এসময় ঘোড়া প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও আপেল প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে নৌকা প্রতীকে সিল মারা অবস্থায় ৪টি ব্যালট বই উদ্ধার করা হয়। একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ঘটনার পর থেকে ভোটগ্রহণ স্থগিতের দাবিতে কেন্দ্রে বিক্ষোভ করছেন ঘোড়া প্রতীকের (বিদ্রোহী) চেয়ারম্যান প্রার্থী ও অন্যান্য প্রার্থীর সমর্থকরা।

ঘোড়া প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হেলালউদ্দিন মাদবর বলেন, ‘সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর এক ঘণ্টা পর থেকেই নৌকার লোকজন কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে, পাশাপাশি একটি কেন্দ্রে জাল ভোট দিয়েছে। জাল ভোট দিলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয় কীভাবে? বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’

তবে জাল ভোট প্রদানের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আশুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ শাখা কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার শুভাশিস কুমার চ্যাটার্জি।

তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। আমরা কারও পক্ষে কাজ করছি না। আমাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, জাল ভোট প্রদানের চেষ্টা করলে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন শিকদার বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, তবে আমাদের প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া আছে, কেউ জাল ভোট প্রদানের চেষ্টা করলে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হবে।’

এদিকে, আমিনবাজার ও পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও কয়েকটি কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখলের অভিযোগ তুলেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।