আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ দুদকের তদন্ত শুরু, যশোর শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা পলাতক

news-image

যশোর শিক্ষা বোর্ডের আড়াই কোটি টাকা চেক জালিয়াতির ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের উপপরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতের নেতৃত্বে রোববার দুপুর ১২টায় দুদক তাদের একটি টিম শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের কক্ষে প্রবেশ করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় দুদক অফিসে লিখিত অভিযোগ দেন শিক্ষা বোর্ড সচিব এএমএইচ আলী আর রেজা। অভিযুক্ত কর্মকর্তা পরিবারসহ গা-ঢাকা দিয়েছেন।

২০২০-২১ অর্থবছরে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সরকারি কোষাগারে জমার জন্য আয়কর ও ভ্যাট বাবদ ১০ হাজার ৩৬ টাকার নয়টি চেক ইস্যু করে। এই নয়টি চেক জালিয়াতি করে ‘ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে এক কোটি ৮৯ লাখ ১২ হাজার ১০ টাকা এবং ‘শাহীলাল স্টোর’ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের নামে ৬১ লাখ ৩২ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়। সরকারি ছুটি থাকায় ঘটনা প্রকাশ্যে আসার দুদিন পর রোববার বোর্ডের সচিব এএমএইচ আলী আর রেজা দুদক কার্যালয়ে অভিযোগ দাখিল করেন। দুদক কর্মকর্তারা বোর্ডে গিয়ে তদন্ত শুরু করেন। তারা তদন্তের জন্য সব কাগজপত্র সংগ্রহ করেছেন।

এদিকে চেক জালিয়াতির ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত শিক্ষা বোর্ডের হিসাব শাখার হিসাব সহকারী আব্দুস সালাম পালিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান মোল্লা আমীর হোসেন। তিনি জানান, কিছু না জানিয়ে রোববার অফিসে অনুপস্থিত আব্দুস সালাম। বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছেন তিনি পরিবারসহ পালিয়েছেন। তিনি জানান, যে দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে, তাদের মালিকরা বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা ফিরিয়ে দেবেন বলে খবর পাঠাচ্ছেন। এটি একটি আইনি প্রক্রিয়া। টাকা ফেরত দিলেও তা আদালতের মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হবে। বোর্ডের সচিব এএমএইচ আলী আর রেজা সাংবাদিকদের বলেন, মাঝে দুদিন সরকারি ছুটি থাকায় রোববার আমরা দুদকে একটি অভিযোগ দিয়েছি। দুদক কর্মকর্তারা সেটি গ্রহণ করেছেন। দুদক যশোরের উপপরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাত জানান, শিক্ষা বোর্ড থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তারা সেটি ঢাকায় প্রধান কার্যালয়কে অবহিত করে তদন্তের নির্দেশ পেয়েছেন।

তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে। শিক্ষা বোর্ড এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, হিসাব সহকারী আব্দুস সালাম এর আগে ১২ লাখ টাকার ও আড়াই কোটির টাকার দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। উপশহরে তার দুটি আলীশান বাড়ি, শ্বশুরবাড়ি এলাকায় ১০ বিঘা জমি ও একটি ক্লিনিক রয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

শেখ রাসেলের জন্মদিনে ৫৮ কেজি ওজনের কেক কাটলেন মেয়র জাহাঙ্গীর

বিনা ভোটে নির্বাচিত হচ্ছেন ১৮ চেয়ারম্যান

‘প্রশাসনে বাংলাদেশি যেমন আছে, অসংখ্য পাকিস্তানিও আছে’

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের আহ্বান

শিশু শ্রমে নির্মাণ হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর

পীরগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় মতবিনিময়

বিএনপি-জামায়াত বা তৃতীয় শক্তির জড়িত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পীরগঞ্জে জেলে পল্লিতে হামলার প্রতিবাদে দিনাজপুরে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

উপকূলে ৩নং সতর্ক সংকেত, দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা

‘শেখ রাসেল স্বর্ণ পদক’ বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

কোন শিশুকে যেন রাসেলের ভাগ্যবরণ করতে না হয়: প্রধানমন্ত্রী

ফতুল্লায় মিশুক চালককে হত্যার দুই ঘাতক গ্রেপ্তার