আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

এখনো থমথমে বসুরহাট, আটক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাদল

news-image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ বসুরহাট বাজারে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনার পর পরিস্থিতি এখনো থমথমে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য র‌্যাব-পুলিশসহ তিনশত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার দুুপুরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে নোয়াখালী প্রেসক্লাব থেকে আটক করেছে সাদা পোশাকধারী একদল পুলিশ। সন্ধ্যায় ৭টায় জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলার চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের ছোট ভাই বিদ্যুৎ চৌধুরী জানান, আমরাও বিষয়টি শুনেছি সে এসপি অফিসে আছে।
অপরদিকে, মঙ্গলবার রাতের সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় বসুরহাট পৌর মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার পক্ষ থেকে তার সমর্থক নুর নবী বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলসহ ৮০/৯০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকেও সংঘর্ষ, হামলা ও বোমা নিক্ষেপের ঘটনায় ৯৮ জনের নাম উল্লেখসহ দেড়শত জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে বসুরহাট বাজারে এখনো অধিকাংশ দোকান পাঠ বন্ধ রয়েছে। দলীয় কোন্দ্বলের কারণে ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন বলে জানান অনেকে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহিদুল হক রনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে বসুরহাট এলাকায় র‌্যাব-পুলিশসহ তিনশত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বিকালে ও রাতে দফায় দফায় বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার সমর্থক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় ১৪ জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন আলাউদ্দীন নামের এক সিএনজিচালক। তবে সে যুবলীগ কর্মী। এই ঘটনার পর থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে।