আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

কাঁচা মরিচের দর পতনে দিশেহারা কৃষক

news-image

সুরেশ চন্দ্র রায়, মানিকগঞ্জ :মানিকগঞ্জের শিবালয়ে কাঁচা মরিচের দর পতনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক। মরিচ চাষীরা পাইকারি আড়তে ১ মন মরিচ বিক্রি করছেন ২০০ টাকা থেকে ২৮০ টাকা দরে। কৃষকদের দাবি এ অঞ্চলের কাঁচা মরিচ সংরক্ষণের জন্য হিমাগার প্রয়োজন।

এ অঞ্চলের মরিচগুলো স্থানীয় চাহিদা পুরণ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। এ বছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে এ বছর মরিচের দরপতন হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে লোকসানের হিসেব গুনছেন প্রান্তিক চাষীরা।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর অনেক বেশি জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে।

উপজেলার বরংগাইল আড়তে কাঁচা মরিচ বিক্রি করতে আসা ভৈরব পাইন বলেন,এ বছর তিন বিঘা জমিতে মরিচের চাষ করেছি। সময়মতো সার, কীটনাশক প্রয়োগ এবং পরিচর্যার ফলে এ বছর যথেষ্ট পরিমান ফলন হয়েছে। কিন্তু বাজারে মরিচের চাহিদা না থাকায় আমরা হতাশার মধ্যে দিন পার করছি। বাজারে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি করতে হচ্ছে ৫-৬ টাকা দরে। ক্ষেত থেকে মরিচ তোলা বাবদ শ্রমিককে কেজি প্রতি দিতে হয় ৫ টাকা। বাজারে আনতে মন প্রতি রিক্সাচালককে দিতে হয় ২০ টাকা। আমার নিজের পারিশ্রমিক দিনে ৫০০ টাকা। অথচ বাজারে নিয়ে ১মন মরিচ বিক্রি করতে হচ্ছে ২০০ থেকে ২৮০ টাকা। এখন আমাদের নিরবে কান্না করা ছাড়া অন্য কোন গতি নেই।
ঘিওর উপজেলার ধূলন্ডী গ্রামের ইউনুছ মোল্লা এবং শিবালয় উপজেলার দুবুলিয়া গ্রামের রহিজ উদ্দিনও একই রকম কথা বলেন।

শিবালয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ রিয়াজুর রহমান ক্রাইম ভয়েস ২৪ . কম কে জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু বৈশ্মিক মহামারি করোনার কারণে বিদেশে রপ্তানি না করতে পেরে মরিচের বাজার নিম্নমুখী। তবে বর্ষা মৌসুম আসার কারণে মরিচের বাজার এখন একটু চাঙ্গা হচ্ছে।