আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

কালাইয়ে সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মানেণর অভিযোগ

news-image

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার উলিপুর-ভেরেন্ডি মোড়ে রাস্তার জায়গা দখলে নিয়ে স্থাপনা নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছেন প্রভাবশালীরা। জায়গা উদ্ধারের জন্য স্থানীয় মাত্রাই ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমানসহ দুই গ্রামের শতাধিক ব্যক্তির স্বাক্ষরে কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগ পেয়ে তার কার্যালয় থেকে প্রতিনিধি পাঠিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করার কথা বলে আসলেও প্রভাশালীরা বিভিন্ন কৌশলে ওই জায়গাতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

আজ সোমবার সকালে সরজমিনে গিয়ে এবং অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উলিপুর-ভেরেন্ডি গ্রামের মোড়ে কালাই-মাত্রাই সড়কের পূর্ব পাশে এবং ঈদগায়ের পশ্চিম পাশে উলিপুর গ্রামের মৃত মতিউর রহমানের ছেলে রেজা আহম্মেদের দুই শতক জমি রয়েছে। তিনি ঈদগা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ভেরেন্ডি গ্রামের শহিদুল ইসলাম এবং সদস্য হায়দার আলীকে সাথে নিয়ে তার জমি বাদ রেখে সামনের সরকারি জায়গা দাগ নং ৬৩৮’র উপর ব্যক্তিগত স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলমান রেখেছেন। সরকারি জায়গায় ব্যক্তি মালিকানা স্থাপনা নির্মাণ করায় স্থানীয় লোকজন বাঁধা দিলে তাদের মধ্যে বাক-বিতন্ডাও হয়। এরপর স্থানীয় মাত্রাই ইউনিয়নের সদস্য ও ভেরেন্ডি গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউর রহমান বাদশাসহ দুই গ্রামের শতাধিক লোকজনের স্বাক্ষরে সরকারি জায়গা উদ্ধারের জন্য লিখিত অভিযোগ দেন কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে। অবশ্য কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টুকটুক তালুকদার ওই অভিযোগ পেয়ে প্রতিনিধি পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করার কথা বলে আসলেও তারা স্থাপনা নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

স্থানীয় সার্ভেয়ার ছামসুল হক ও আব্দুল কুদ্দুস জানান, সরকারি জায়গায় কাজ শুরুর আগে তারা দু’জন মিলেই রেজার জায়গার সীমানা নির্ধারণ করেছেন। সে অনুযায়ি খুঁটিও পুঁতে রাখা হয়েছে। তারপরও রেজা মাঠ কমিটির লোকজনদের সাথে যোগসাজস করে জোরপূর্বক সরকারি জায়গায় ব্যক্তিগত স্থাপনা নির্মাণ করছেন।

ঈদগা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই জায়গা সরকারি না। যে স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে তা হলো ঈদগা মাঠের মেহেরাব। সরকারি বরাদ্দের টাকায় ওই কাজ করা হচ্ছে। এর বাহিরে কিছুই না। অভিযোগকারী ও ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমান বাদশা বলেন, ঈদগায়ের পশ্চিম পাশে রেজার দুই শতক জায়গা বাদ রেখে সামনে সরকারি জায়গায় ব্যক্তি মালিকানা ভবন নির্মাণ করছেন। যা নির্মাণ হচ্ছে তা ঈদগার মেহেরাব নয়। যারা ঈদগায়ের কথা বলে নিজের স্বার্থে সরকারি জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ করতে পারে তারা আসলেই ভয়ানক লোক। ইউএনও লোক পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে গেলেও সে আবার কাজ শুরু করেছেন।

অভিযুক্ত রেজা আহম্মেদ বলেন, যে জায়গায় নির্মাণ কাজ হচ্ছে সে জায়গা আমাদের। কোন সরকারি জায়গা নয়। ঈদগায়ের জন্য সেখানে মেহেরাব নির্মাণ হচ্ছে। কোন ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবন নয়। তারা যে অভিযোগ করেছে তা মিথ্যা। কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টুকটুক তালুকদার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর সেখানে লোক পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করা হয়েছে। তারপরও যদি কাজ চলমান থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

পদ্মা সেতু: শিল্পের জন্য প্রস্তুত গোপালগঞ্জ

এখন যানবাহনের অপেক্ষায় ফেরি

ফেরিতে পাঁচ ভাগের এক ভাগে নেমে এলো ছোট গাড়ি

বাঁশখালীতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিস্ফোরণ

মানিকগঞ্জে পদ্মা সেতুর লাইভ অনুষ্ঠানে অস্ত্র নিয়ে মহড়া, সাংবাদিক গ্রেপ্তার

উল্লাসে মেতেছে পদ্মা পাড়ের মানুষ

চার মাস না যেতেই উঠছে ৯ কোটি টাকার সড়কের পিচ

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পিঠা উৎসব

নদী ভাঙা মানুষের বিলাপ

সাঁতরে মঞ্চে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলল কিশোরী

বঙ্গবন্ধুর শ্রেষ্ঠ উপহার স্বাধীনতা, আর প্রধানমন্ত্রীর শ্রেষ্ঠ উপহার পদ্মা সেতু : পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী

সেতুর উদ্বোধনে ফায়ার সার্ভিসের শোভাযাত্রা