আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

খুনি নূরকে ফিরিয়ে নেওয়ার একাধিক উপায় আছে!

news-image

কানাডার আইন অনুযায়ী কোনো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ফেরত দেওয়া না। এ কারণে বঙ্গবন্ধুর স্বঘোষিত খুনি নূর চৌধুরীকে ফেরত দেওয়া বা নেওয়ার বিষয়টি আইনের ফাঁকে আটকে আছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একাধিক পয়েন্টে নূর চৌধুরীকে ফেরত দেওয়া যেতে পারে।

প্রথমত, দুই দেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি। দ্বিতীয়ত, তার মৃত্যুদণ্ড রহিত করে যাবজ্জীবন শাস্তি দিয়ে।

তৃতীয়ত, তাকে তৃতীয় দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করলে। অর্থাৎ তিনি যে দেশ হয়ে কানাডায় অনুপ্রবেশ করেছেন, সেই দেশে প্রেরণ।

চতুর্থত, কানাডা শান্তিপূর্ণ দেশ। এখানে কোনো সন্ত্রাসী বা খুনির বসবাসের নিরাপদ অভয়ারণ্য কানাডাবাসীর কখনোই কাম্য নয়। ফলে এই আইনের ফাঁকে তাকে বহিষ্কার করা সম্ভব।

পঞ্চমত, নূর চৌধুরী যেহেতু কানাডায় সম্পূর্ণ অবৈধভাবে স্টেটাসহীনভাবে বাস করছেন, তা কানাডার বিধি মোতাবেক অন্যায়।

ষষ্ট, চার চারবার আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার প্রেক্ষিতে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইমিগ্রেশন এবং কানাডা বর্ডার সার্ভিস তাকে কানাডা থেকে বের করে দেওয়ার জন্য ২২ মে ২০০৭ সালে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিলো, তা নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, কানাডার বাংলাদেশ হাই কমিশনের দুর্বলতার কারণেই তা হয়ে ওঠেনি।

অভিজ্ঞ মহল মনে করেন, দুই দেশের সরকার আন্তরিকভাবে আলোচনা করে নূরকে ফিরিয়ে নেওয়ার অমীমাংসিত ব্যাপারটি সহজে সমাধান করতে পারে।

২০১৯ নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধনের পর ইত্তেফাকের সাথে এক প্রশ্নের জবাবে কানাডার সীমান্ত নিরাপত্তা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মন্ত্রী বিল ব্লেয়ার বলেন, ‘এটা আইনের ব্যাপার।’

তবে তাকে ফেরত দেওয়া উদ্যোগ বা বন্দি বিনিময় চুক্তির ব্যাপারে বাংলাদেশকেই এগিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ সরকার বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ জনের মধ্যে পাঁচজনকে ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি ফাঁসি দেয়।

এ জাতীয় আরও খবর