আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

গোয়ালন্দে অবৈধ বালু উত্তলনের ড্রেজার মেশিন ধ্বংস ও জরিমানা

news-image

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর মরা পদ্মা নদী ও অন্তরমোড় এলাকায় রবিবার (৩০ মে) অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চক্রের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল ইসলাম।

অভিযানে ৪ টি ড্রেজার মেশিন ও বিপুল সংখ্যক পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে। অভিযানে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশের একটি টিম অংশ নেয়।

এলাকা সূত্রে জানাযায় , দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে একটি বালু মহল চক্র। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্বেও কিছু অসাধু বালু ব্যবসায়ী মরা পদ্মা নদী সহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ড্রেজার মেশিন দিয়ে এবং নদী তীরবর্তী এলাকায় ফসলি জমিতে ভেকু দিয়ে গভীর গর্ত খুঁড়ে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে করে নদীর তীরবর্তী গ্রাম গুলো ধ্বংসের পাশাপাশি ড্রেজারের বিকট শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল আশপাশের মানুষ। তাছাড়া বালু উত্তোলন ও ট্রাকে পরিবহনের ফলে এলাকার সড়ক গুলোর অবস্থা নাজুক হয়ে পরেছে।

এর প্রেক্ষিতে রবিবার (৩০ মে( সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অবৈধ বালু উত্তোলন বিরোধী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৪টি স্যালো ইঞ্জিন দিয়ে তৈরি ড্রেজার মেশিন ও বিপুল সংখ্যক পাইপ ধ্বংস করে প্রশাসন। তবে আগেই বুঝতে পেয়ে বালু উত্তোলনে জড়িতরা প্রায়ই পালিয়ে যায়। এ সময় ড্রেজার মেশিন মালিক আ. কাদের ফকির (৩৫)’কে দশ হাজার টাকা অর্থ জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ ব্যাপারে গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন- বালু উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙনসহ পরিবেশের মারাত্বক ক্ষতি হচ্ছে। বালুমহল আইনে বালু উত্তোলনকারীদের জরিমানাসহ ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, উপজেলার কোথাও কোন প্রকার অবৈধ ড্রেজার ও ডেকু দিয়ে মাটি কাটতে দেওয়া হবেনা। অবৈধভাবে নদী থেকে বালু-মাটি উত্তোলন বন্ধে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি ।