আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

চমকে ঠাসা চ্যাকো নগরী

news-image

বিশ্বসভ্যতার যেসব নিদর্শন ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে, সেগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের চ্যাকো অন্যতম। দুই হাজারেরও বেশি সময় ধরে দক্ষিণ-পশ্চিম যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ একটি অঞ্চল দখল করে রেখেছিল পুয়েবলো জাতি। ৮৫০ থেকে ১২৫০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে পুয়েবলো সভ্যতাটি অনুষ্ঠান-উদযাপন, বাণিজ্য ও রাজনৈতিক কার্যকলাপের ওপরই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। ইতিহাসের পরবর্তী পর্যায়ে সেগুলো পাথেয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

সভ্যতাটির সবচেয়ে বড় চমক ও ভিন্নতা হচ্ছে, তারা তাদের দৈনন্দিন চাহিদাগুলো মেটাতে পারত। সেই সঙ্গে তাদের নির্মিত বৃহদাকার বিভিন্ন স্থাপনা আমাদের ইঙ্গিত করে যে তারা তাদের জীবনধারণের জন্য কতটা না সংগ্রামী ছিল। সভ্যতাটির স্মৃতি ধারণকারী হিসেবে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে চ্যাকো কালচার হিস্টোরিকাল পার্ক।

পার্কটির পরিচালনা পরিষদের প্রধান কর্মকর্তা জানান, সভ্যতাটি ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধিশালী হওয়া ও বিকাশের ধারার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। এখানকার স্থাপনাগুলো ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যশৈলীর দিক থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র দেশে নয়, বিশ্বব্যাপী এগুলোর কদর অনেক বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রের যে কয়টি সংরক্ষিত এলাকা রয়েছে চ্যাকো কালচার ন্যাশন্লা পার্ক সেগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানীয়। আর এ জন্যই বিশ্বঐতিহ্যের তালিকায় নাম লিখিয়েছিল এই পার্কটি। চ্যাকোর পুরনো ইতিহাস ও গিরিখাতগুলো সভ্যতার প্রসিদ্ধ উদাহরণের স্বাক্ষর বহন করে। যেগুলো স্থায়ীভাবে আসীন ছিল।

চ্যাকোর স্মৃতিস্তম্ভগুলো স্থাপত্যে বৈশিষ্ট্যে স্বাতন্ত্র্য। প্রাচীন এই নগরীতে একটি অনুষ্ঠান কেন্দ্র ছিল, যা আগে ও পরে নির্মিত কোনো স্থাপনার সঙ্গে এর মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঐতিহাসিক একটি উদ্যান ছাড়াও সেখানে অ্যাজটেক রুইস জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও কয়েকটি ছোট স্থাপনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব কিছু দেখাশোনা করার

দায়ভার নিয়েছে দেশটির ব্যুরো অব ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট।

নিউ মেক্সিকোর এই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি যেকোনো পর্যটকের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে। নগরীর কক্ষগুলোর গঠনশৈলীও ছিল অনন্য বৈশিষ্ট্যের। প্রায় ৪০০ রুম ছিল পুয়েবল নগরীতে। এসব কক্ষ কাঠ দিয়ে নির্মিত। ৫০ মাইল দূর থেকে কাঠগুলো আনা হয়েছিল। সেখানকার স্থাপনাগুলো বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে।

কিন্তু একসময়ের এই সমৃদ্ধ নগরীটিও একসময় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ে। খরা ও ফসল উৎপাদনের ঘাটতির কারণে সেখানে খাদ্যাভাব দেখা দেয়। একপর্যায়ে সেখানকার বসবাসকারী পুয়েবলো জাতি স্থান ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যায়। এভাবেই একটি সভ্যতার অবসান ঘটে।

এ জাতীয় আরও খবর

সলঙ্গায় মুক্তিযোদ্ধার জায়গা দখলেরচেষ্টা ঃ থানায় অভিযোগ

প্রয়োজনে নিজের খাবার সবার সাথে ভাগ করে খাবঃ রমজান আলী

ভাইরাস সংক্রমন রোধে BIDA(বিডা) এবং মানিকগঞ্জ এইচডি’র যৌথ উদ্যোগে দ্বিতীয় দিন শহরজুরে জীবানুনাশক স্প্রে

সিরাজগঞ্জে পুলিশকে মারপিট : ৬ পুলিশ আহত তমিজউদ্দিন দইঘরের ২ স্বত্বাধিকারী গ্রেফতার

ভাইরাস সংক্রমণ রোধে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও মানিকগঞ্জ [এইচডি] শহরজুরে জীবাণুনাশক স্প্রে

সিরাজগঞ্জে সংক্রমন প্রতিরোধ আইন অমান্য করে বিক্রয় প্রতিনিধিদের অবৈধভাবে জমায়েত করায় লিভার ব্রাদার্স পরিবেশককে অর্থদন্ড

কুষ্টিয়ায় সীমিত পরিসরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস 

বিশ্বে করোনা মহামারীতে মৃতের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে, ৩০০ কোটি মানুষ লকডাউনে

কার্যত ‘লকডাউনে’ ঢাকা

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শেখ হাসিনাকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

সিরাজগঞ্জে অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রীকে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা করলেন এসিল্যান্ড

কুষ্টিয়ায় ৭ মাসের শিশু আইসোলেশনে, পুরো বাড়ি লকডাউন