আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

জেএইচএমের হুন্ডির জাল রাজশাহী জুড়ে-প্রশাসনে নাড়া লুকালেন মুকুল ও তোজাম্মেল

news-image

রাজশাহী অঞ্চলজুড়ে হুন্ডি কারবার এবং নেপথ্যের নায়কদের নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার কালের কণ্ঠে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্থানীয় প্রশাসনে তোলপাড় চলছে। হুন্ডির সঙ্গে জড়িত রাঘব বোয়ালদের সম্পর্কে খোঁজ নিতে গতকালই মাঠে নেমেছেন কয়েকটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। তবে এরই মধ্যে রাজশাহী অঞ্চলের শীর্ষ দুই হুন্ডি কারবারি তোজাম্মেল হক ও মখলেছুর রহমান মুকুল আত্মগোপনে চলে গেছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর বাইরে অন্যদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।

সূত্রটি আরো নিশ্চিত করেছে, এত দিন আইন-শঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যেসব সদস্য এই দুই শীর্ষ কারবারিকে আগলে রেখেছিলেন তাঁরাই তোজাম্মেল ও মুকুলকে আত্মগোপনে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ফলে গ্রেপ্তার এড়াতে তোজাম্মেল ও মুকুল সেটিই করেছেন। এর বাইরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ইসমাইল গতকাল রাজশাহী ছেড়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি রাজশাহী নগরের উপশহর এলাকায় থাকতেন। আমদানি-রপ্তানি ও গরু চোরাচালানের আড়ালে এই চক্র কোটি কোটি টাকার অবৈধ পণ্য যেমন ভারত থেকে পাচার করেছে, তেমনি হুন্ডির মাধ্যমে সেই টাকার বড় অংশ বাংলাদেশ থেকে পাচার করেছে। পাশাপাশি সোনার বারও পাচার করেছে চক্রটি। এর মাধ্যমে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছেন চক্রটির সদস্যরা।

বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো তালিকা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে করা তালিকায় রাজশাহী অঞ্চলের হুন্ডির শীর্ষ কারবারি চাঁপাইনবাবগঞ্জের রানীহাটি এলাকার তোজাম্মেল হক ও রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা এলাকার মখলেছুর রহমান মুকুলের নাম উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে এক নম্বরেই রয়েছেন মেসার্স রিফাত ট্রেডার্সের মালিক তোজাম্মেল হক। কিন্তু সরেজমিনে রানীহাটিতে গিয়ে এ ধরনের কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি, এমনকি স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কোনো খোঁজ দিতে পারেননি। অথচ এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামেই কোটি কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে ভারত ও দুবাইয়ে।

ওই তালিকার দ্বিতীয় নামটি রাজশাহীর মখলেছুর রহমান মুকুলের। মুকুলও মুন এন্টারপ্রাইজ নামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আড়ালে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন ভারতসহ বিভিন্ন দেশে। একসময়ের মুদি দোকানি মুকুল হুন্ডি ও চোরাকারবারি করে এখন শতকোটি টাকার মালিক। নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় গড়ে তুলেছেন বিশাল অট্টালিকা। এর বাইরে শহরের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে তাঁর নামে-বেনামে জমি। পুঠিয়ার আলতাব, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ইসমাইলও বিশাল সম্পত্তির মালিক। এর বাইরে অন্য হুন্ডি কারবারিরাও রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।

রাজশাহীর একটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘হুন্ডি কারবারিদের বিষয়ে নতুন করে খোঁজ নিতে কাজ শুরু করেছি। তবে এরই মধ্যে কেউ কেউ আত্মগোপনে চলে গেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেলে এসব কারবারিকে ধরতে মাঠে নামবে প্রশাসন।’

এ জাতীয় আরও খবর

শেখ রাসেলের জন্মদিনে ৫৮ কেজি ওজনের কেক কাটলেন মেয়র জাহাঙ্গীর

বিনা ভোটে নির্বাচিত হচ্ছেন ১৮ চেয়ারম্যান

‘প্রশাসনে বাংলাদেশি যেমন আছে, অসংখ্য পাকিস্তানিও আছে’

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের আহ্বান

শিশু শ্রমে নির্মাণ হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর

পীরগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় মতবিনিময়

বিএনপি-জামায়াত বা তৃতীয় শক্তির জড়িত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পীরগঞ্জে জেলে পল্লিতে হামলার প্রতিবাদে দিনাজপুরে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

উপকূলে ৩নং সতর্ক সংকেত, দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা

‘শেখ রাসেল স্বর্ণ পদক’ বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

কোন শিশুকে যেন রাসেলের ভাগ্যবরণ করতে না হয়: প্রধানমন্ত্রী

ফতুল্লায় মিশুক চালককে হত্যার দুই ঘাতক গ্রেপ্তার