আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

জেএইচএমের হুন্ডির জাল রাজশাহীজুড়ে প্রতিদিন পাচার হচ্ছে শতকোটি টাকা

news-image

রাজশাহী অঞ্চলজুড়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে হুন্ডির ব্যবসা। প্রতিদিনই অন্তত শতকোটি টাকা পাচার হচ্ছে এই হুন্ডির মাধ্যমে। এটা দেশের গোয়েন্দা সংস্থাসহ প্রশাসনের সর্বস্তরেই জানা। কিন্তু এই হুন্ডির নেপথ্যের নায়ক কারা এবং কিভাবে ব্যবসা করছে সেই কুশীলবদের তথ্য জানতে অনুসন্ধানে নামে কালের কণ্ঠ। রাজশাহী অঞ্চলসহ দেশের আরো বেশ কয়েকটি এলাকায় অনুসন্ধানের সময় একে একে বেরিয়ে আসে হুন্ডি সাম্রাজ্যের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। হুন্ডি মাফিয়ারা ভারত থেকে পেঁয়াজ ও পাথর আমদানি এবং গরু চোরাচালানের মাধ্যমে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করছে। কখনো নগদ টাকা, আবার কখনো সোনার বার পাচার করছে তারা। সেই সঙ্গে পাথর ও পেঁয়াজের মধ্যে অবৈধভাবে বিদেশি অস্ত্র, বিস্ফোরক ও হেরোইন আসছে, যেগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে দেশের অভ্যন্তরে। পাথর আমদানির নামে অবৈধ পণ্য চোরাচালান ও অর্থপাচার মুখ্য হওয়ায় সেই পাথর দেশের বাজারের অন্যান্য কম্পানির চেয়ে প্রায় অর্ধেক দামে বিক্রি করতে পারছে চক্রটি।অনুসন্ধান করতে গিয়ে কালের কণ্ঠ এই চক্রের জাল
বিস্তারের কার্যক্রমে জড়িতদের সন্ধান পায়। গোয়েন্দাদের করা তালিকায়ও এসব অর্থপাচারকারীর নাম-ঠিকানাসহ চাঞ্চল্যকর তথ্য-উপাত্ত রয়েছে।

গত ১৮ থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজশাহী অঞ্চলসহ দেশের চারটি জেলা ও ১১টি উপজেলা ঘুরে অনুসন্ধান করে কালের কণ্ঠ। আট দিনের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে হুন্ডি ব্যবসার মূল চক্রের হোতা ভারতীয় নাগরিক তিন ভাইয়ের নাম। উঠে আসে জেএইচএম নামের একটি কম্পানির নাম। এই প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান। পরিচালক হিসেবে আছেন তাঁরই দুই ভাই জাহাঙ্গীর আলম ও হুমায়ন কবির। জালিয়াতি করার কারণে দুই বছর ধরে তাঁরা নিজের দেশে প্রবেশ করতে পারেন না বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশে আমদানি-রপ্তানি ব্যবসার আড়ালে চলছে জেএইচএমের অর্থপাচার ও অবৈধ কারবার। ভারতের মুর্শিদাবাদের নাগরিক মেহেদী হাসানসহ তিন ভাই ও তাঁদের মামা এনামুল হকের ছত্রচ্ছায়ায় ভারত ও বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে হুন্ডি, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র পাচারের একটি বিশাল নেওয়ার্ক। সেই নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের কয়েকজন কিভাবে শূন্য থেকে শত শত কোটি টাকার মালিক বনে গেলেন সেসব তথ্যও উঠে আসে কালের কণ্ঠ’র বিশেষ অনুসন্ধানে। মুদি দোকানদার, দিনমজুর ও শ্রমিক থেকে তাঁরা গত পাঁচ-সাত বছরের মধ্যে হয়েছেন কোটি কোটি টাকা ও সম্পদের মালিক। তাঁরা কেউ ঘোরেন বিএমডাব্লিউ, প্রাডো, লেক্সাস, হ্যারিয়ারসহ বিলাসবহুল গাড়িতে। থাকেন একেকজন আলিশান বাড়িতে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এসব অপকর্ম করতে গিয়ে এই চক্রটি সরকারের একাধিক উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তির সঙ্গেও গড়ে তুলেছে সখ্য। পাশাপাশি নাটক ও সিনেমা নির্মাণের নামে মিডিয়া জগতেও জাল ফেলেছে তারা। বাংলাদেশে এই অপকর্মের হোতাদের অন্যতম হলেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি এলাকার মেহেদী হাসান বিপ্লব। কয়েক বছর আগে চুরির অভিযোগে পিটুনি খেয়ে এলাকাছাড়া হওয়া বিপ্লব এখন ঘুরে বেড়ান বিএমডাব্লিউ গাড়িতে। জেএইচএম গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি।

জানা গেছে, এই বিপ্লবই দেশের অভ্যন্তরে হুন্ডি, মাদক, গরু চোরাচালান ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন। তাঁর হাত ধরেই গড়ে উঠেছে রাজশাহী অঞ্চলজুড়ে একটি বিশাল সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের হোতারা ভারত ও দুবাই থেকে পাথর আমদানি, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি, গরু, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা পাচার করছেন বিদেশে। অবৈধ পণ্যের মূল্য পরিশোধের জন্য হুন্ডির মাধ্যমে নগদ অর্থ ও সোনার বার বাংলাদেশ থেকে পাচার করার তথ্য-প্রমাণও উঠে এসেছে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে।

সূত্র মতে, চলতি মাসে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অন্তত ৫০ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার করে। এর বেশির ভাগই হলো হেরোইন। যেগুলো এই দুই জেলার সীমান্ত দিয়ে ভারত হয়ে দেশে ঢুকেছে। সর্বশেষ গত ২১ আগস্ট র‌্যাব প্রায় এক কোটি টাকার হেরোইনসহ গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোফাজ্জল হোসেন মোফাকে গ্রেপ্তার করে। এই মোফাও একজন হুন্ডি ব্যবসায়ী এবং ওই চক্রের সদস্য বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে।

সরেজমিন অনুসন্ধান ও একাধিক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দেওয়া তথ্য মতে, মেহেদী হাসান বিপ্লবের পরে বাংলাদেশে চক্রের অন্যতম হোতা হলেন রাজশাহী নগরীর মখলেছুর রহমান মুকুল, পুঠিয়ার আলতাব হোসেন ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের তোজাম্মেল হক। তাঁরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নামে ভারত থেকে পাথর ও পেঁয়াজ আমদানির কথা বলে পণ্যবাহী ট্রাকে করে হেরোইন ও অবৈধ অস্ত্রের চোরাকারবার করছেন। কেউ করছেন গরু চোরাচালান। সেই কারবারের টাকা পরিশোধ করছেন হুন্ডির মাধ্যমে।

অন্যদিকে, ঋণপত্র (এলসি) খুলে আমদানি করা পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য দেখিয়ে বৈধ পথে পাচার করা হচ্ছে নগদ অর্থ। হুন্ডির মাধ্যমে অর্থপাচার ও পণ্যবাহী ট্রাকে অবৈধ মাদক ও অস্ত্র পাচারের বিষয়টি একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা থেকে বারবার সরকারের উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে। দুই বছর আগে এসংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এটি রোধ করতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ বন্দরে স্ক্যানার মেশিন বসানোরও উদ্যোগ নেওয়া হয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে। কিন্তু অসাধু এই চক্রটির কারণে সেই উদ্যোগ এখনো কার্যকর হচ্ছে না।

২০১৮ সালের ২৯ মার্চ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের স্পেশাল ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট শাখার তৎকালীন অতিরিক্ত ডিআইজি রেজাউল করিমের সই করা চিঠিতে রাজশাহী অঞ্চলজুড়ে গড়ে ওঠা হুন্ডি ও মাদক চোরাকারবারিদের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবগত করা হয়। এ ছাড়া ২০১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তৎকালীন পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ফরিদ আহম্মদ স্বাক্ষরিত আরেক চিঠিতে এই চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূলত সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সবুজ সংকেত না পেয়ে এই চক্রের প্রভাবশালী হোতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কারণ এই চক্রের সদস্যদের অনেকেই ভিড়ে গেছেন স্থানীয় রাজনীতিতে। কেউ কেউ অবৈধ টাকা বৈধ করার জন্য নেমেছেন ঠিকাদারি ব্যবসায়।

জানা গেছে, জেএইচএমের অন্যতম সহযোগী রাজশাহীর মখলেছুর রহমান মুকুলকে নিয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায়, একসময় তিনি ছিলেন মুদি দোকানদার। মুদি দোকান ছেড়ে জেএইচএমের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে পড়েন তিনি। মুকুল একটি ফেসবুক পোস্টেও নিজেই সেই তথ্য তুলে ধরেন। তাতে তিনি জেএইচএম গ্রুপকে তাঁদের কম্পানি বলে দাবি করেন। এখন তিনি গাড়ি, বাড়িসহ অগাধ সম্পদের মালিক। হালে রাজশাহী নগর সংস্থার বিভিন্ন উন্নয়নকাজের ঠিকাদারিও বাগিয়ে নিয়েছেন মুকুল।

জানা গেছে, মুকুল তাঁর প্রতিষ্ঠান ‘মুন এন্টারপ্রাইজের’ নামে ভারত থেকে যেসব পাথর ও পেঁয়াজ আমদানির করেন তার অন্তত ৯৯ ভাগই হলো জেএইচএম ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড ও এমএস হক মার্কেন্টাইল প্রাইভেট লিমিটেডের মাধ্যমে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা হলো কলকাতার এম কে পয়েন্ট ফোর্থ ফ্লোর ও সিক্সথ ফ্লোর, বেনটিক স্ট্রিট। এম এস হকের মালিক জেএইচএমের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসানের মামা এনামুল হক। সম্প্রতি ভারতীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাদক পাচার, অবৈধ অর্থ লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগে এনামুলকে গ্রেপ্তার করেছে। আর মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অবৈধ লেনদেনের অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্তের অনুরোধ জানিয়ে গত বছরের ১৭ মার্চ ভারতের ডাইরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স শাখা থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পাঠানো একটি গোপন চিঠিও কালের কণ্ঠ’র হাতে এসেছে।

এদিকে দেশের গোয়েন্দা সংস্থার তালিকার তথ্য মতে, রাজশাহী সীমান্ত অঞ্চলজুড়ে হুন্ডিচক্রে অন্তত অর্ধশত ব্যক্তি এখনো সক্রিয়। তাঁদের অন্যতম হলেন, জেএইচএমের সহযোগী ঝেন্টু হাজি ওরফে গোলাপ ও তাঁর ছোট ভাই রেজাউল করিম, জেএইচএমের আরেক পরিচালক অর্থপাচারসহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসার হোতা ঈসমাইল হোসেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ বন্দরের সিঅ্যান্ডএফের একজন দালাল হিসেবে পরিচিত এই ঈসমাইল।

গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ঈসমাইল হোসেন ও মেহেদী হাসান বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশে জেএইচএমের অবৈধ ব্যবসা শুরু হয়। এ ছাড়া রয়েছে হুন্ডি ব্যবসায়ী পুঠিয়ার আলতাব ও শাহজাহান, সন্তোষ কুমার, শেখ কামাল হোসেন ও রনক। অন্য আরো কয়েকজনের মধ্যে রয়েছেন রাজন, আবিদ হোসেন, আতিকুর রহমান, জাফর আহম্মেদ, নূপুর সাহা, মোহন কুমার, শফিকুল ইসলাম ঘুটু, অশোক রাম, আক্কাস আলী, রাহাত, নান্নু, টিটি বাবু ও রনি আহম্মেদ। জড়িত মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন সাহেববাজারের রিলায়েন্স মানি চেঞ্জার, এম এস মানি চেঞ্জার ও মুনলাইট মানি চেঞ্জার, সুমন, আবদুর রাজ্জাক, নুরুল ইসলাম, মাইনুল ইসলাম, আলতাব হোসেন, মাসুদ, মোফাজ্জল হোসেন মোফা, জমির, কাজল, আকতারুজ্জামান মুকুল, আবদুল মান্নান ও মাহবুল ল্যাংড়া।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি রাজশাহীর এক হুন্ডি ব্যবসায়ীর কাছে জেএইচএম গ্রুপের অন্তত শতকোটি টাকা একটি মিনি ট্রাকে করে পৌঁছে দেওয়া হয়।

গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে আরো জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের হুন্ডি ব্যবসায়ীদের তালিকায় আরো যাঁরা আছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন—জামাল, ইনজামামুল হক, সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম রেজা, ইউপি সদস্য আহমদ শাহ নজিবুল্লাহ ওরফে ইয়ারুল্লাহ, শহীদুল্লাহ দোলা, মনিরুল ইসলাম মনি, রফিকুল ইসলাম ওরফে চাইনিজ রফিক, মিন্টু, আনারুল, গোলাম জাকারিয়া, সাইফুল ইসলাম, সাজু, মোমিনুল হক, মতিউর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য আশরাফুল ইসলাম, রাধানগরের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য এনামুল হক, ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য নুর ইসলাম, আরিফ হোসেন, রাকিব হাজি, সেতাউর রহমান, হারুন অর রশিদ, জাহাঙ্গীর আলম, ফিরোজ, টিপু সুলতান ও কুষ্টিয়ার হুন্ডি বাবু। তালিকায় থাকা আনারুল ও এনামুল হক গরু ব্যবসায়ী।

রাজশাহীর আমদানি ও রপ্তানিকারক তৌফিকুর রহমান বাবু বলেন, ‘মাঝে মাঝেই সোনামসজিদ বন্দরের বাইরে অবৈধ মাদক ও অস্ত্র ধরা পড়ে। এর সঙ্গে যে অসাধু আমদানিকারকরা জড়িত তা বোঝা যায়।’

এ জাতীয় আরও খবর

শেখ রাসেলের জন্মদিনে ৫৮ কেজি ওজনের কেক কাটলেন মেয়র জাহাঙ্গীর

বিনা ভোটে নির্বাচিত হচ্ছেন ১৮ চেয়ারম্যান

‘প্রশাসনে বাংলাদেশি যেমন আছে, অসংখ্য পাকিস্তানিও আছে’

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের আহ্বান

শিশু শ্রমে নির্মাণ হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর

পীরগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় মতবিনিময়

বিএনপি-জামায়াত বা তৃতীয় শক্তির জড়িত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পীরগঞ্জে জেলে পল্লিতে হামলার প্রতিবাদে দিনাজপুরে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

উপকূলে ৩নং সতর্ক সংকেত, দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা

‘শেখ রাসেল স্বর্ণ পদক’ বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

কোন শিশুকে যেন রাসেলের ভাগ্যবরণ করতে না হয়: প্রধানমন্ত্রী

ফতুল্লায় মিশুক চালককে হত্যার দুই ঘাতক গ্রেপ্তার