আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

জেলেদের চাল লুট করলেন আওয়ামী লীগ নেতা

news-image

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় জেলেদের ভিজিএফ’র চাল আত্মসাৎ ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান।

এদিকে চাল আত্মসাৎ ও লুটের ঘটনা ইউপি চেয়ারম্যানের ধামাচাপা দেওয়ার ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরছে। এ বিষয় প্রশাসন নীরব থাকায় জনমনে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের মৎস্য অবরোধকালীন সময়ে ২৪০ জন জেলের মধ্যে এপ্রিল ও মে এ দুই মাসের ভিজিএফ’র চাল রবিবার বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন। অভিযোগ উঠেছে প্রতিজনে দুই মাসে ৮০ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও চেয়ারম্যান ৭০ কেজি করে বিতরণ করে। ২৪০ জনের মধ্যে পরিমাণে ১০ কেজি করে চাল কম দিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম আসাদুল হক নাসির সিকদার আত্মসাৎ করেছে। ওই চাল বিতরণের সময় সরকার দলীয় কতিপয় নেতা কর্তৃক চাল লুটের ঘটনাও ঘটেছে। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কতিপয় নেতা ও চেয়ারম্যানের ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
ওই ফোনালাপে জানা যায়, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল ফরাজীকে বাঁচানোর জন্য রাতের আঁধারে ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে চাল ফেলে রাখতে বলে ইউপি চেয়ারম্যান। তাকে বাঁচানোর জন্য যা দরকার সে করবে।

এ বিষয়ে বাবুল ফরাজী জানান, আমি কোন চাল লুট করিনি। চেয়ারম্যান ৩৮৪ বস্তা চালের বিপরিতে গোডাউন থেকে ৩শ বস্তা চাল এনেছে এবং ৮০ কেজি চালের বিপরীতে ৭০ কেজি চাল বিতরণ করায় আমি বাধা দিলে আমার বিরুদ্ধে চাল লুটের অভিযোগ উঠায় চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য।

এ বিষয় ইউপি সচিব প্রকাশ চন্দ্র রায় জানান, ইউপি চেয়ারম্যান নাসির সিকদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল আজিজসহ স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে বাবুল ফরাজী চাল ৩৬ বস্তা চাল লুট করে নিয়ে যায়।

ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম আসাদুল হক নাসির সিকদার তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল ফরাজীকে ৫ জনের ৮ বস্তা চাল দিলে হট্টগোল বাজে। পরে চাল এনে আবার বিতরণ করা হয়েছে।