আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

টাঙ্গাইলে ভয়াবহ বন্যা, পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ

news-image

টাঙ্গাইলে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। রাস্তাঘাট তলিয়ে এখনও হু হু করে ঢুকছে পানি। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় বিপাকে পড়েছে মানুষজন।
ইতোমধ্যেই টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার মধ্যে ৭টি উপজেলা বন্যা কবলিত হয়ে প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ, রাস্তা ঘাট, সবজি ক্ষেতসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলী জমি। ক্ষেতের ফসল তলিয়ে যাওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে বন্যা কবলিতরা।

এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিলেও এখনও কোনো প্রকার ত্রাণ সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ বানভাসিদের।

উজানের পাহাড়ি ঢল আর লাগাতার বর্ষণের কারণে টাঙ্গাইলের যমুনা ধলেশ্বরীসহ জেলার সব কয়টি নদীতে পানি বৃদ্ধি গত প্রায় ১৫ দিন ধরে অব্যাহত থাকা নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
ইতোমধ্যেই টাঙ্গাইল সদর, বাসাইল, কালিহাতি, ভুয়াপুর, গোপালপুর ও নাগরপুর ও মির্জাপুর উপজেলা প্লাবিত হয়ে প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী আছে। চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে বানভাসি মানুষ। পাকা রাস্তা তলিয়ে বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভেঙে গেছে ব্রিজ-কালভার্ট। বিকল্প পথে জরুরি প্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় চলাচল করতে হচ্ছে বানভাসি মানুষদের।

বিস্তীর্ণ এলাকার রোপা আমন ও সবজির ক্ষেত তলিয়ে কৃষকের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাস, মুরগী, গরু ও ছাগল নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে তারা। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিলেও এখন ত্রাণ সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ বানভাসি মানুষের।

এদিকে, স্থানীয় জন প্রতিনিধি কালিহাতি উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক ভূঁইয়া মানুষের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, তারা এখন পর্যন্ত সরকারি ত্রাণ সহায়তা পায়নি। সরকারি ত্রাণ পেলেই বানভাসিদের মাঝে বিতরণ করা হবে।