আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

টাঙ্গাইল-৭ উপনির্বাচন: আপিলে আ.লীগ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ

news-image

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল ইসলামও আপিলের মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
রোববার বিকালে আপিল শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে সব নির্বাচন কমিশনারের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খান আহমেদ শুভ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল ইসলামের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
একজনের খেলাপি ঋণের গ্র্যান্টার থাকার কারণে গত ২০ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল-৭ আসনের উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ময়মনসিংহের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাহিদুল নবী চৌধুরী আওয়ামী লীগের প্রার্থী খান আহমেদ শুভর মনোনয়ন বাতিল করেন।
মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে রোববার শুনানি শেষে শুভর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এতে নির্বাচনে অংশ নিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভর আর কোনো বাধা রইল না।
মনোনয়ন বৈধ হওয়ার পর খান আহমেদ শুভ তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, আমি নিজে কোনো ঋণ গ্রহণ করিনি ও ঋণখেলাপি ছিলাম না। এক ব্যক্তির ঋণের গ্র্যান্টার থাকার কারণে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। আপিলে আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি।
মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু বলেন, খান আহমেদ শুভ প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় আমরা আনন্দিত। দলের নেতাকর্মীরাও উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে নৌকার প্রচারণা চালাবেন বলে আশা করছি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম জানান, আপিলের মাধ্যমে ন্যায় বিচার পেয়েছি। সঠিকভাবে ভোট হলে আমার জয় নিশ্চিত।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ নভেম্বর টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। পরে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৬ জানুয়ারি এ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী খান আহমেদ শুভ ছাড়াও উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভ ছাড়াও জাতীয় পার্টির জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির রুপা রায় চৌধুরী ও ওয়ার্কার্স পার্টির গোলাম নওজব চৌধুরী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। ২৭ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন।

এ জাতীয় আরও খবর