আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

টিকাদানে শীর্ষে খুলনা তলানিতে সিলেট

news-image

দেশে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকাদান ও বিতরণের ক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি হয়েছে। বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো কোনো এলাকা বেশি টিকা পেয়েছে, আবার কোনো এলাকা পেয়েছে অনেক কম। আবার একেক বিভাগে একেক হারে মানুষকে টিকাদান করা হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকার ক্ষেত্রে ন্যায্যতার অর্থ হচ্ছে- যার প্রয়োজন তিনি টিকা পাবেন। টিকাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে ব্যক্তির আর্থসামাজিক অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, আবাসস্থল, বয়স, লিঙ্গ ও জাতিসত্তা বিবেচ্য বিষয় হবে না। কিন্তু দেশে এই ন্যায্যতার বিষয়ে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। এতে করে করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্নেষণ করে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি মানুষ টিকা পেয়েছে খুলনা বিভাগে। এ বিভাগের মোট জনসংখ্যার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ টিকা পেয়েছে। সবচেয়ে কম পেয়েছে সিলেটের মানুষ- ৪৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এ ছাড়া ঢাকায় পেয়েছে ৫৭ দশমিক ২১ শতাংশ মানুষ, চট্টগ্রামে ৪৯ দশমিক ৪১ শতাংশ, রাজশাহীতে ৫৬ দশমিক ৮০, রংপুরে ৫৩ দশমিক শূন্য ২, বরিশালে ৫২ দশমিক ৮১ এবং ময়মনসিংহে ৪৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ মানুষ। এ হিসাব এখন পর্যন্ত যারা প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছেন, তাদের ভিত্তিতে।

বিতরণের ভিত্তিতে হিসাব করলে দেখা যায়, টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে ২০ জেলা। এই জেলাগুলোতে মোট টিকার ১ শতাংশেরও কম বিতরণ করা হয়েছে। সবচেয়ে কম টিকা পেয়েছে পার্বত্য তিন জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি। এই তিন জেলা আধা শতাংশেরও কম টিকা পেয়েছে।

সবচেয়ে বেশি টিকা পেয়েছে ঢাকা বিভাগ, মোট টিকার ২৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ। তবে এ বিভাগেরও পাঁচটি জেলায় ১ শতাংশের কম টিকা বিতরণ করা হয়েছে। টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বরিশাল বিভাগ। সব মিলিয়ে এ বিভাগে টিকা বিতরণ হয়েছে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এ ছাড়া চট্টগ্রাম টিকা পেয়েছে ১৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ, রাজশাহী ১২ দশমিক ৫২, খুলনা ১১ দশমিক ৫১, রংপুর ১০ দশমিক ৩১, ময়মনসিংহ ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং সিলেট বিভাগ ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ টিকা পেয়েছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, টিকাদানে দেশের প্রত্যন্ত ও দুর্গম জেলাগুলো পিছিয়ে পড়েছে। অথচ বৈশ্বিকভাবে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকাদান শুরুর আগেই ন্যায্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ১৫ কোটি ৬৬ লাখ ছয় হাজার ৭৬২ ডোজ টিকা বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ পেয়েছেন ৯ কোটি ১৩ লাখ ২২ হাজার ৫৩৮ জন। প্রথম ডোজ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচ কোটি ৭৬ লাখ ৭৫ হাজার ২৭২ জন দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন। আর বুস্টার ডোজ পেয়েছেন আট লাখ ৭৩ হাজার ৪৪১ জন।

পার্বত্য তিন জেলা তলানিতে: টিকা বিতরণের ভিত্তিতে হিসাব করলে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে পার্বত্য তিন জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি। এর মধ্যেই আবার সবচেয়ে কম টিকা বিতরণ করা হয়েছে রাঙামাটিতে- শূন্য দশমিক ২১ শতাংশ। এরপর বান্দরবানে শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ এবং খাগড়াছড়িতে শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ। পার্বত্য তিন জেলার পর চট্টগ্রাম বিভাগে কম টিকা পেয়েছে ফেনী- শূন্য দশমিক ৯৯ শতাংশ। এরপর লক্ষ্মীপুর ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ দশমিক ৪৪, কক্সবাজার ১ দশমিক ৫০, চাঁদপুর ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং নোয়াখালী ১ দশমিক ৯২ শতাংশ টিকা পেয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে শীর্ষে থাকা চট্টগ্রাম জেলা ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ ও দ্বিতীয় স্থানে থাকা কুমিল্লা ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ টিকা পেয়েছে। সব মিলিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগ প্রথম ডোজ ১৮ দশমিক ৮০ শতাংশ, দ্বিতীয় ডোজ ১৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং বুস্টার ডোজ ১০ দশমিক ১১ শতাংশ পেয়েছে।

সবচেয়ে পিছিয়ে বরিশাল: এ বিভাগের ছয় জেলার মধ্যে চারটি ১ শতাংশের কম টিকা পেয়েছে। সবচেয়ে কম শূন্য দশমিক ৪৪ শতাংশ টিকা পেয়েছে ঝালকাঠি জেলা। এরপর বরগুনা শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ, পিরোজপুর শূন্য দশমিক ৭০ শতাংশ এবং ভোলা শূন্য দশমিক ৯৯ শতাংশ পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ টিকা পেয়েছে বরিশাল জেলা। এরপর দ্বিতীয় স্থানে থাকা পটুয়াখালী পেয়েছে ১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ টিকা। বরিশাল বিভাগ প্রথম ডোজ ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, দ্বিতীয় ডোজ ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং বুস্টার ডোজ ৩ দশমিক ১০ শতাংশ পেয়েছে।

খুলনার চার জেলায় কম: এ বিভাগের চার জেলা ১ শতাংশের কম টিকা পেয়েছে। সবচেয়ে কম শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ টিকা পেয়েছে মেহেরপুর জেলা। এরপর নড়াইল শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ, মাগুরায় শূন্য দশমিক ৭০ শতাংশ এবং চুয়াডাঙ্গা শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ টিকা পেয়েছে। এ বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ৯৯ শতাংশ টিকা পেয়েছে যশোর জেলা। এরপর খুলনায় ১ দশমিক ৭৯ শতাংশ, সাতক্ষীরা ১ দশমিক ৪০ শতাংশ, কুষ্টিয়া ১ দশমিক ২৮ শতাংশ, ঝিনাইদহ ১ দশমিক ২২ শতাংশ এবং বাগেরহাট ১ দশমিক ১২ শতাংশ টিকা পেয়েছে। খুলনা বিভাগে প্রথম ডোজ ১১ দশমিক ৭৮ শতাংশ, দ্বিতীয় ডোজ ১২ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং বুস্টার ডোজ ১৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ পেয়েছে।

প্রদীপের নিচে অন্ধকার: ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার মধ্যে রাজধানীর ঢাকার পর টিকাদানে এগিয়ে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও টাঙ্গাইল জেলা। মোট টিকার ৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ ঢাকায় বিতরণ করা হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে নারায়ণগঞ্জে ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ, গাজীপুরে ২ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং টাঙ্গাইলে ২ দশমিক ৩১ শতাংশ টিকা বিতরণ করা হয়েছে। এরপর বেশি টিকা পেয়েছে কিশোরগঞ্জে ১ দশমিক ৭০ শতাংশ। ১ শতাংশের ওপরে কিন্তু ২ শতাংশের নিচে টিকা পেয়েছে নরসিংদী ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ, ফরিদপুরে ১ দশমিক ২২ শতাংশ এবং মানিকগঞ্জে ১ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। ঢাকা বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে কম টিকা বিতরণ করা হয়েছে রাজবাড়ী জেলায়। মোট টিকার শূন্য দশমিক ৭৩ শতাংশ পেয়েছে এ জেলা। রাজবাড়ীর পর ঢাকা বিভাগের ১ শতাংশের কম টিকা পেয়েছে আরও চার জেলায়। এর মধ্যে মাদারীপুরে শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ, শরীয়তপুর শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ, গোপালগঞ্জ শূন্য দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং মুন্সীগঞ্জ শূন্য দশমিক ৯৩ শতাংশ টিকা পেয়েছে। সব মিলিয়ে ঢাকা বিভাগে প্রথম ডোজ পেয়েছেন ২৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ২৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ। বুস্টার ডোজ পেয়েছেন ৪১ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

ময়মনসিংহে বঞ্চিত শেরপুর: এ বিভাগে শেরপুর জেলা সবচেয়ে কম শূন্য দশমিক ৮০ শতাংশ টিকা পেয়েছে। আর সবচেয়ে বেশি টিকা পেয়েছে ময়মনসিংহ জেলা ৩ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। অপর দুই জেলার মধ্যে জামালপুর ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং নেত্রকোনা ১ দশমিক ৩৮ শতাংশ টিকা পেয়েছে। সব মিলিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগে প্রথম ডোজ ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ। দ্বিতীয় ডোজ ৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। বুস্টার ডোজ ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ।

রাজশাহীর কমতি জয়পুরহাটে: রাজশাহী বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টিকা পেয়েছে বগুড়া জেলা। এ জেলা মোট টিকার ২ দশমিক ১০ শতাংশ টিকা পেয়েছে। এ বিভাগে সবচেয়ে কম শূন্য দশমিক ৭৮ শতাংশ টিকা পেয়েছে জয়পুরহাট জেলা। বগুড়ার পর রাজশাহী জেলায় সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ৯৫ শতাংশ টিকা বিতরণ করা হয়েছে। এরপর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ, নাটোর ১ দশমিক ২২ শতাংশ, পাবনা ১ দশমিক ৭১ শতাংশ, নওগাঁ ১ দশমিক ৮২ শতাংশ, সিরাজগঞ্জ ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ টিকা পেয়েছে। রাজশাহী বিভাগে প্রথম ডোজ ১৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ, দ্বিতীয় ডোজ ১২ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং বুস্টার ডোজ পেয়েছে ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।

রংপুরের ৩ জেলার দুঃখ: রংপুর বিভাগে ১ শতাংশের কম টিকা পেয়েছে তিন জেলা। এর মধ্যে পঞ্চগড় শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ, লালমনিরহাটে শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ এবং ঠাকুরগাঁওয়ে শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ টিকা পেয়েছে। এ বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২ দশমিক ১৩ শতাংশ টিকা পেয়েছে রংপুর জেলা। এরপর দিনাজপুর ১ দশমিক ৮৬ শতাংশ, গাইবান্ধা ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ, কুড়িগ্রাম ১ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং নীলফামারী ১ দশমিক ১৯ শতাংশ টিকা পেয়েছে। মোট টিকা ২ শতাংশের কম পেলেও দিনাজপুর বুস্টার পেয়েছে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। রংপুর বিভাগে প্রথম ডোজ ১০ দশমিক ৯৫ শতাংশ, দ্বিতীয় ডোজ ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং বুস্টার ডোজ ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ বিতরণ করা হয়েছে।

সিলেটে কমের মধ্যে বেশি: বরিশালের পর কম টিকা পেয়েছে সিলেট বিভাগ। তবে এ বিভাগের চার জেলার মধ্যে একটিও ১ শতাংশের কম টিকা পায়নি। সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ টিকা পেয়েছে সিলেট জেলা। এরপর মৌলভীবাজার ১ দশমিক ১৩ শতাংশ, হবিগঞ্জ ১ দশমিক ১৯ শতাংশ এবং সুনামগঞ্জ ১ দশমিক ২৯ শতাংশ টিকা পেয়েছে। সিলেট বিভাগে প্রথম ডোজ ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ, দ্বিতীয় ডোজ ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং বুস্টার ডোজ ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ বিতরণ করা হয়েছে।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বাধা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, টিকাদানে বৈষম্য করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বাধা সৃষ্টি করবে। প্রত্যেক মানুষ যাতে ন্যায্যতার ভিত্তিতে টিকা পান, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক সমকালকে বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শুরু থেকেই টিকাদানে ন্যায্যতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে আসছে। কিন্তু দেশে টিকা নিয়ে বৈষম্য হচ্ছে। টিকাদানের বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট কোনো পরিকল্পনার ঘাটতি রয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা করে জনসাধাণকে দ্রুত টিকার আওতায় আনা জরুরি। এ জন্য উপায় খুঁজে বের করতে হবে। অন্যথায় কার্যকর ফল আসবে না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, এলাকাভিত্তিক জনসংখ্যার ভিত্তিতে টিকা বিতরণ করা হচ্ছে। দেশের সব জেলায় সমান জনসংখ্যা নয়। যেসব জেলায় জনসংখ্যা বেশি, সেই আনুপাতিক হারে টিকা বিতরণ করা হয়েছে। এর পরও কোনো জেলায় পিছিয়ে থাকলে তা বিবেচনায় নেওয়া হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

নারায়নগঞ্জে ৪১৪ জন শিক্ষককের আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নিলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম

দৌলতদিয়ায় ৭ ফেরিঘাটের ৪টিই বিকল, যানবাহনের দীর্ঘ সারি

পানির নিচে পন্টুন, ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি

ছাত্রদল করা সন্তানের জনক হলেন থানা ছাত্রলীগের সহসভাপতি

যমুনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

চাঁদপুরের ডিসিকে বদলি, তিন জেলায় নতুন ডিসি

গাফফার চৌধুরী আর নেই

প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ভূমি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ

কুমিল্লার মানবজমিন প্রতিনিধিসহ সারাদেশের সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে সোচ্চার রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব ॥ প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধন-বিক্ষোভ মিছিল

চাকরির নামে টাকা আত্মসাৎ গ্রেপ্তার ২

মহাসড়কে গাছ ফেলে ডাকাতি করতো তারা, গ্রেফতার ৬

বনের ভেতর সিসা তৈরির কারখানা, হুমকির মুখে পরিবেশ