আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

ডলারের তীব্র সংকট, দাম আরও বেড়েছে

news-image

বাজারে ডলারের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম আরও এক দফা বেড়েছে। আন্তঃব্যাংক লেনদেনে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা ৮০ পয়সা দরে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে প্রতি ডলার বিক্রি করছে ৮৫ টাকা ৮০ পয়সা দরে। আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম বাড়ায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেও এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে অন্যান্য সব বৈদেশিক মুদ্রার দাম বেড়েছে।
এক সপ্তাহ আগে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৮৫ টাকা ৭৫ পয়সা। এখন তা ৫ পয়সা বেড়ে ৮৫ টাকা ৮০ পয়সা হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৮৪ টাকা ৮০ পয়সা। আলোচ্য সময়ে বেড়েছে ১ টাকা। শতকরা হিসাবে ১ দশমিক ১৮ শতাংশ বেড়েছে।
এদিকে ব্যাংকগুলোর ডলারের চাহিদা মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ১৮২ কোটি ২০ লাখ ডলার বাজারে ছেড়েছে। এর বিপরীতে কেন্দ ীয় ব্যাংক গড়ে ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বাজার থেকে তুলে নিয়েছে। এর পরও বাজারে ডলারের সংকট কাটছে না। এর বিপরীতে রিজার্ভের পরিমাণ কমছে। মঙ্গলবার তা কমে ৪ হাজার ৪৯৫ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত ৩১ অক্টোবর রিজার্ভ ছিল ৪ হাজার ৬৫০ কোটি ডলার। আলোচ্য সময়ে কমেছে ১৫৫ কোটি ডলার। অপর দিকে করোনার কারণে এলসির দেনা স্থগিতের পরিমাণ গত অর্থবছর পর্যন্ত বেড়ে ২২০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এসব দেনা এখন শোধ করতে হচ্ছে। বৈদেশিক ঋণের কিস্তিও শোধ করতে হচ্ছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে এলসি খোলার হার বেড়েছে প্রায় ৪৪ শতাংশ। এসব মিলে বৈদেশিক দেনা শোধের চাপ বেড়েছে।
এক দিকে দেনা পরিশোধের চাপ বেড়েছে, অন্য দিকে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ কমেছে। চলতি অর্থবছরের অক্টোবর পর্যন্ত রপ্তানি আয় বেড়েছে ২৩ শতাংশ। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৪৮ শতাংশ। গত অর্থবছরের জুলাই অক্টোবরে রেমিট্যান্স বেড়েছিল ৪৩ শতাংশ। একই সময়ে তা কমেছে সামান্য। ফলে বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এ কারণে ডলারের সংকট দেখা দিয়েছে।
ব্যাংকগুলোতে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে নগদ ডলারের দাম। নগদ আকারে প্রতি ডলার এখন সর্বোচ্চ ৯০ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি হচ্ছে। বেসরকারি খাতের মিডল্যান্ড ব্যাংক এই দরে বিক্রি করছে। এ ছাড়া সোশ্যাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ৯০ টাকা ২০ পয়সা, ব্যাংক আল ফালাহ ৯০ টাকা ১০ পয়সা দরে বিক্রি করছে। অন্য ব্যাংকগুলো ৮৭ টাকা থেকে ৮৯ টাকা ৯০ পয়সা দরে বিক্রি করছে।
করোনার পর বিদেশ ভ্রমণের বিধিনিষেধ তুলে দেওয়ার কারণে বিভিন্ন কাজে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। এ কারণে বেড়েছে নগদ ডলারের চাহিদা। যে কারণে এর দামও বেড়েছে বেশি।
এ ছাড়া ব্যাংকগুলোতে এলসি খোলার জন্য প্রতি ডলার গড়ে ৮৫ টাকা ৬৫ পয়সা থেকে ৮৫ টাকা ৯০ পয়সা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ জাতীয় আরও খবর

মুরাদ হাসানের অনুষ্ঠানের বিতর্কিত উপস্থাপক কে এই নাহিদ রায়ান্স?

মুরাদকে গ্রেফতারের দাবিতে কুশপুত্তলিকা দাহ

অন্য এলাকায় হালকাসহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে সিলেট-চট্টগ্রামে

যা আছে মুরাদ হাসানের পদত্যাগপত্রে

ভারতকে এস-৪০০ সরবরাহ শুরু করেছে রাশিয়া

ভৈরবে ২ খুনের মামলার আসামি সাফায়েত নৌকার প্রার্থী!

সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের নির্বাচন ১৮ ডিসেম্বর

‘পদত্যাগপত্র লিখে মুরাদ হাসানের স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হয়েছে’

‘দেশে করোনা টিকা উৎপাদন শিগগিরই’

ওমিক্রনের সংক্রমণ ক্ষমতা বেশি হলেও মারণ ক্ষমতা কম: ফাউসি

গভীর সমুদ্রে তক্তার ওপর ১২ ঘণ্টা ভেসেছিলেন হাফিজ

কোম্পানিতে আসতে চান না বাস মালিকরা