আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

ধর্ষণের পর তিন বন্ধু মিলে গৃহবধুকে হত্যা,সেলিম ও জুয়েল হাত পা চেপে ধরে, জনি গলায় গামছা পেচিয়ে শ^াসরোধ করে হত্যা করে

মতিউর রহমান ভান্ডারী.সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি : হাজেরা বেগম টুকটুকিকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর সেলিম ও জুয়েল হাজেরার হাত পা চেপে ধরে, জনি গলায় গামছা পেচিয়ে শ^াসরোধে হত্যা করে। রবিবার আদালতের জবানবন্দীতে আসামীরা হাজেরা হত্যাকান্ডের বর্ননায় এসব কথা স্বীকার করেন।
এর আগে ২৮ ডিসেম্ব পৌর এলাকার উত্তর জামসিং মহল্লার একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে নিহত গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শনিবার রাতে জড়িত তিন জনকে গ্রেফতার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- সাভার পৌর এলাকার উত্তর জামসিং মহল্লার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে জনি (২৪), শুকুর আলীর ছেলে সেলিম (২২) ও নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ লক্ষীবরদী মৃত ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে জুয়েল (২৮)।
নিহত হাজেরা বেগম সাভার পৌর এলাকার বনপুকুর মহল্লায় তার স্বামী মিল্লাত হোসেনের সঙ্গে ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন। মিল্লাত হোসেন পেশায় একজন ফুটপাত ব্যবসায়ী।
সাভার মডেল থানা সূত্রে জনা যায়, উত্তর জামসিং মহল্লার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে জনির সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন গৃহবধু হাজেরা বেগম। গত ২৫ ডিসেম্বর মোবাইল ফোনে কল করে জনি কৌশলে হাজেরাকে জামসিং মহল্লায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে একটি নির্মাধীন ভবনে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী জনি তার দুই বন্ধু সেলিম ও জুয়েল রাতভর হাজেরাকে ধর্ষণ করে। এরপর গভীর রাতে তাকে শ^াসরোধে হত্যা করে।
সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মলয় কুমার সাহা জানান, নিহত হাজেরা বেগমের মোবাইল ফোনের একটি কলের সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রথমে জনিকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকায় তার দুই বন্ধুকেও গ্রেফতার করা হয়। আটককৃতরা রবিবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিতে হাজেরা বেগমকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর সেলিম ও জুয়েল হাজেরার হাত পা চেপে ধরে, জনি গলায় গামছা পেচিয়ে শ^াসরোধে হত্যা করার কথা স্বাীকার করে। রবিবার আদালতের জবানবন্দীতে আসামীরা হাজেরা হত্যাকান্ডের বর্ননায় এসব কথা স্বীকার করেন।

এব্যাপারে জানতে যোগাযোগ করা হলে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ জানান, হাজেরা বেগমকে হত্যার পর আসামীরা লাশটি প্রথমে জনির বাড়িতে একটি ওয়্যারড্রপে রেখে দেয় এবং লাশটি গুম করার চেষ্টা করে। কিন্তু দুই দিন অপেক্ষা করার পরও লাশ গুম করার কোন সুযোগ না পেয়ে, গত ২৭ ডিসেম্বর গভীর রাতে লাশটি জামসিং এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
উল্লেখ্য গত ২৮ ডিসেম্বর মোসাঃ হাজিরা নামে এক নারীকে হত্যার পর দুই হাত নীল মোজা দিয়ে বেঁধে এবং গলায় গামছা পেচানো অবস্থায় একটি সাদা প্লাষ্টিকের বস্তায় ভরে জামসিং এলাকার মনতাজের নির্মানাধীন বাড়ির পাশে খালি জায়গায় মৃতদেহটি গুম করার উদ্দেশ্যে ফেলে রাখে হত্যাকারীরা। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে নিহতের লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

কুষ্টিয়ায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব’র জন্মবার্ষিকী পালন

ভোলায় মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন বৃদ্ধকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন, খাওয়ানো হলো গোবর!

তাড়াশে ওসির বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

মাহাথিরের নতুন দল গঠনের ঘোষণা

কুষ্টিয়ায় ৭৪ জন নতুন করোনা রোগী সনাক্ত, মৃত্যু ২

যৌতুকের টাকার জন্য বিয়ের আসর থেকে চলে গেল বরপক্ষ

বাকেরগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মাছের ঘের দখলের অভিযোগ

কেরালায় এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান বিধ্বস্ত: নিহত ১৬, আহত শতাধিক

মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলা ওসি প্রদীপসহ সাত পুলিশ সদস্য সাময়িক বরখাস্ত

পল্লবী থানার ভেতর বিস্ফোরণ সন্ত্রাসীরা জঙ্গিদের ভাড়া করা?

জেকেজির দুই হাজার রিপোর্টে গরমিল, দ্রুতই অভিযোগপত্র

সাবেক সচিবের দখলে আস্ত চর