আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

নীলফামারীতে লিফটের হাউস থেকে নির্মাণশ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

news-image

নীলফামারীতে নির্মাণাধীন ভবনের লিফটের হাউস থেকে এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা শহরের বড়বাজার সংলগ্ন একটি নির্মাণাধীন ভবনের লিফটের হাউসে জমে থাকা পানিতে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

নির্মাণশ্রমিক ময়নুল ইসলাম (৩৫) জেলা সদরের কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের মধ্য সুটিপাড়া গ্রামের মমিন হোসেনের ছেলে।

ময়নুলের সহকর্মীরা জানান, গত বুধবার ভবনটির তিন তলার ছাঁদ ঢালাইয়ের জন্য রড বাঁধায়ের কাজ চলছিল। ওই কাজ সমাপ্ত হয় রাত ১১টার দিকে। কাজ চলাবস্থায় রাত আটটার দিকে ময়নুল পেটের ব্যথা অনুভব করে। এ সময় সে ওষুধ কেনার জন্য ভবন থেকে নিচে নেমে বড়বাজারের উদ্দেশে গিয়ে আর কাজে ফিরে আসেননি। সকলের ধারণা করেন অসুস্থতার কারণে ময়নুল হয়তো বাড়ি চলে গেছেন।

নিহতের বড় ভাই মো. লালবাবু বলেন, বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ময়নুল বাড়িতে না ফেরায় তার খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা চালাই। তাকে না পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে আমিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তার কর্মস্থল নির্মাণাধীন ভবনে এসে দেখি সিঁড়ি সংলগ্ন একটি গর্তের পানিতে ভাসছে ময়নুলের মরদেহ।

ওই ভবন নির্মাণকাজের প্রধান মিস্ত্রি খলিলুর রহমান বলেন, ‘গত দু’দিন আগে নির্মাণকাজে যোগ দেয় ময়নুল। রাত আটটার দিকে ময়নুল পেটে ব্যথার কথা বলে ওষুধ কিনের জন্য নিচে গিয়ে আর কাজে ফিরে আসেনি। আমিসহ অন্যান্য সহকর্মীরা ধারণা করি, অসুস্থতার জন্য ময়নুল বাড়িতে চলে গেছে। পরে আমরা রাত ১১টার দিকে কাজ শেষ করে সবাই চলে যাই।’

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রউপ বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভবনের পাশে থাকা সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে, সেটি দেখা হচ্ছে।’