আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

নয়াগাং ও সবুড়ী নদীর ভাঙন নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে সড়ক বাড়িঘরসহ ফসলি জমি

news-image

জৈন্তাপুর উপজেলার নয়াগাং ও সবুড়ী নদীর অব্যাহত ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে সড়ক, বাড়িঘরসহ ফসলি জমি। এছাড়া বাউরভাগ মল্লিফৌদ, কাটাখাল ও লামনীগ্রামের বিভিন্ন রাস্তাসহ শতাধিক বাড়ি ও কয়েক হাজার একর ফসলি জমি হুমকির মুখে রয়েছে। নদীর সর্বগ্রাসী ভাঙনে কাটাখাল রাস্তার দেড় কিলোমিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
বুধবার সরেজমিনে নদীভাঙনের খোঁজ নিয়ে কথা বলে জানা যায়, নদীরতীরবর্তী মোয়াখাই, লামনীগ্রাম, কাটাখাল, মল্লিফৌদ গ্রাম রক্ষায় জরুরিভাবে রাস্তা মেরামত না করলে বর্ষায় এসব এলাকার মানুষ সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতির শিকার হবে।
স্হানীয় সূত্রে জানা যায়, নদীর উভয় অংশে অন্তত ২ হাজার মানুষের বসতবাড়ি ও তাদের ধানের ফসলি জমি রয়েছে। ভাঙনের ফলে বসতভিটা ছেড়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে অন্য স্হানে চলে যাচ্ছে অনেকেই।

এলাকাবাসী আরো জানান, ওয়াপদা বেড়িবাঁধের ফলে নয়াগাং নদীর পানি স্বাভাবিক গতির চেয়ে বেশি গতিতে প্রবাহ হচ্ছে। ফলে নদীর প্রবল স্রোত এবং দীর্ঘ সময়ে নদীতে পানি থাকায় নদী তীরবর্তী মানুষের বসতভিটা, চলাচলের রাস্তাঘাট ভাঙনের মুখে পড়েছে। এলাকার বাসিন্দা আলহাজ ফরিদ উদ্দিন আহমদ বলেন, জনপ্রতিনিধিরা শিগ্গির নদীভাঙনের কবল থেকে মানুষের বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও চলাচলের রাস্তা রক্ষায় এগিয়ে আসবেন।
স্হানীয় বাসিন্দা মো. জাকারিয়া, হাবিবুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য ইসমাইল আলী, আলী আকবর, আব্দুস শুক্কুর, ফখরুল ইসলাম, গাড়িচালক বিলাল আহমদ বলেন, নয়াগাং ও সবুড়ী নদীর ভাঙনে কাটাখাল গ্রামের প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা নদীতে চলে গেছে। এছাড়া বসতবাড়ী, ফসলি জমি ভাঙনের কবলে পড়েছে। যে হারে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে, তাতে বর্ষা মৌসুম শেষ হতে আরো অনেক অংশ রাস্তা নদীর পেটে চলে যাবে। নদীভাঙন রোধে সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করি।

জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, মোয়াখাই, লামনীাম, বাউরভাগ, কাটাখাল গ্রামীণ রাস্তার মাটি ভরাটসহ সংস্কারকাজ করা প্রয়োজন। এছাড়া নদীভাঙনের শিকার প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে সংস্কার করা সম্ভব নয়। এজন্য ঊর্ধ্বতনের সহায়তা জরুরি।

এদিকে, নয়াগাং ও সবুড়ী নদীর অব্যাহত ভাঙনের ফলে রাস্তা রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। নদীর ভাঙন থেকে এই জনপদ রক্ষায় প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। নদীভাঙন অব্যাহত থাকলে নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের নিজের বসতভিটা ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নদীর উভয় অংশে ব্লক স্হাপন করা হলে অব্যাহত ভাঙন থেকে রাস্তা ও বসতভিটা রক্ষা পাবে।

জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল আহমদ বলেন, ‘পানি নামার পর পর বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রামীণ রাস্তা মেরামত ও সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া নদীভাঙনের ফলে বাউরভাগ কান্দি, মল্লিফৌদ, কাটাখাল, মোয়াখাই ও লামনীগ্রামের বাসিন্দাদের রক্ষা করা অনেকটা কঠিন হয়ে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ব্যবস্হা গ্রহণের জন্য লিখিত অনুরোধ জানাব।’

এ জাতীয় আরও খবর

বাঁশখালীতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিস্ফোরণ

মানিকগঞ্জে পদ্মা সেতুর লাইভ অনুষ্ঠানে অস্ত্র নিয়ে মহড়া, সাংবাদিক গ্রেপ্তার

উল্লাসে মেতেছে পদ্মা পাড়ের মানুষ

চার মাস না যেতেই উঠছে ৯ কোটি টাকার সড়কের পিচ

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পিঠা উৎসব

নদী ভাঙা মানুষের বিলাপ

সাঁতরে মঞ্চে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলল কিশোরী

বঙ্গবন্ধুর শ্রেষ্ঠ উপহার স্বাধীনতা, আর প্রধানমন্ত্রীর শ্রেষ্ঠ উপহার পদ্মা সেতু : পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী

সেতুর উদ্বোধনে ফায়ার সার্ভিসের শোভাযাত্রা

‘নতুন ইতিহাস’ রচনার সংকল্পের দিন

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন

বনানীতে ভবন থেকে পড়ে প্রকৌশলীর মৃত্যু