আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে নিজেদের ঘর গোছাতে হবে

news-image

সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশ হবে বাংলাদেশ। সেটি ঘটলেই রাতারাতি বাজারসুবিধা হারিয়ে অনেক দেশেই তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে রপ্তানিকারকদের। তাতে বাড়তি শুল্কের চাপে পড়ে রপ্তানি আয় ৫৩৭ কোটি ডলার বা ৪৫ হাজার ৬৪৫ কোটি টাকা কমতে পারে, যা দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ১৪ দশমিক ২৮ শতাংশ। এই হিসাবটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও)।
এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতার পাশাপাশি নিজেদের ঘর গোছানোও গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ। তিনি বলেন, পণ্যের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বহুমুখীকরণ দরকার। এ জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলোতে সংস্কার আনার প্রয়োজন হবে।
অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যবিষয়ক প্রতিবেদকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত এক কর্মশালায় আজ মঙ্গলবার প্রধান অতিথি হিসেবে বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ এসব কথা বলেন। ইআরএফের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
২৯ নভেম্বর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী ডব্লিউটিওর ১২তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন। যার সংক্ষেপ নাম এমসি-১২। সম্মেলনে বাংলাদেশ কোন কোন বিষয় উত্থাপন করবে, কী ধরনের ফলাফল আশা করছে, দর–কষাকষির পদ্ধতি ইত্যাদি নিয়ে কর্মশালায় আলোচনা হয়।
ঢাকার পল্টনে ইআরএফ কার্যালয়ে আয়োজিত কর্মশালায় বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক হাফিজুর রহমান ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সাবেক সদস্য মোস্তফা আবিদ খান। ইআরএফ সভাপতি শারমীন রিনভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম।
২০২৬ সালের পরেও বাংলাদেশ এলডিসি সুবিধা পাবে বলে আশা করেন বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ। তিনি বলেন, আসন্ন ডব্লিউটিওর মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পর ৬ থেকে ৯ বছর একই বাণিজ্যসুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়ে এলডিসি দেশগুলো একমত হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, সম্মেলনে এই বিষয়ে ইতিবাচক ঘোষণা আসবে। যদি কোনো কারণে ঘোষণা না আসে, তাহলে বাংলাদেশ এই আলোচনা জিইয়ে রাখবে। অন্যদিকে জিএসপি সুবিধা, মেধাস্বত্ব, মৎস্য খাতে ভর্তুকি নিয়ে বাংলাদেশ নিজের অবস্থান তুলে ধরবে।
বাণিজ্যসচিব আরও বলেন, বিশ্ববাজারে টিকে থাকা নিয়ে বাংলাদেশ চিন্তিত নয়। বিশ্বের যেসব দেশে প্রতিযোগিতা করে পণ্য রপ্তানি করতে হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ ভালো করছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ভারতের বাজারে রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি আছে। যুক্তরাষ্ট্রেও বাংলাদেশের অবস্থান ভালো। এটা স্বস্তির জায়গা। এরপরও জিএসপি, জিএসপি প্লাস, ট্রিপসের মতো সুবিধাগুলো চাইবে বাংলাদেশ। বড় বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যসচিব বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জিএসপির নীতিমালায় যে পরিবর্তন আনছে, সেখানেও বাংলাদেশের জন্য অনেক ইতিবাচক ইঙ্গিত রয়েছে। ফলে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সমস্যা হবে না। এ ছাড়া ট্রিপসের আওতায় ওষুধের মেধাস্বত্ব–সুবিধা যাতে বাংলাদেশ পায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।

এ জাতীয় আরও খবর

মুরাদ হাসানের অনুষ্ঠানের বিতর্কিত উপস্থাপক কে এই নাহিদ রায়ান্স?

মুরাদকে গ্রেফতারের দাবিতে কুশপুত্তলিকা দাহ

অন্য এলাকায় হালকাসহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে সিলেট-চট্টগ্রামে

যা আছে মুরাদ হাসানের পদত্যাগপত্রে

ভারতকে এস-৪০০ সরবরাহ শুরু করেছে রাশিয়া

ভৈরবে ২ খুনের মামলার আসামি সাফায়েত নৌকার প্রার্থী!

সোনারগাঁও প্রেসক্লাবের নির্বাচন ১৮ ডিসেম্বর

‘পদত্যাগপত্র লিখে মুরাদ হাসানের স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হয়েছে’

‘দেশে করোনা টিকা উৎপাদন শিগগিরই’

ওমিক্রনের সংক্রমণ ক্ষমতা বেশি হলেও মারণ ক্ষমতা কম: ফাউসি

গভীর সমুদ্রে তক্তার ওপর ১২ ঘণ্টা ভেসেছিলেন হাফিজ

কোম্পানিতে আসতে চান না বাস মালিকরা