আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

প্রাইভেটের কক্ষে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি! শিক্ষককে স্কুল ছাড়ার নির্দেশ

news-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষককে একমাসের মধ্যে স্কুল থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলার সলিমগঞ্জ এআরএম উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আল আমীন। তবে তার দাবি, তাকে ফাঁসানোর জন্য এটি সাজানো ঘটনা।

জানা গেছে, শিক্ষক আল আমীন ২০১৩ সালে ওই স্কুলে যোগ দেন। সম্প্রতি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ১৫ জন ছাত্র এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত আবেদন করে। আবেদনের সঙ্গে একটি ভিডিও ফুটেজ জমা দেয় তারা।

ফুটেজটিতে দেখা যায়, বাসায় প্রাইভেট পড়ানোর সময় ওই শিক্ষক এক ছাত্রীকে বারবার যৌন হয়রানি করছেন।

আবেদনের পর প্রধান শিক্ষক তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্তশেষে ঘটনার সত্যতা পেয়ে গত সোমবার স্কুল ম্যানেজিং কমিটির কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

প্রধান শিক্ষক আহমেদ আলী বলেন, গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায়, অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে স্বেচ্ছায় দ্রুত পদত্যাগ করে অন্য চলে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমীন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক সাজানো ঘটনা। ছাত্রী যৌন হয়রানির শিকার হলে ১৫ জন ছাত্র কেন অভিযোগ দেবে? আর তদন্ত কমিটি ভিকটিম ছাত্রীর সঙ্গে কথা না বলে শুধু অভিযোগকারী ছাত্রদের সঙ্গেই কেন কথা বললেন?

তিনি আরো বলেন, ‘আমাকে জোরপূর্বক পদত্যাগ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে একমাস সময় নিয়েছি। আমি পদত্যাগ করবে না’।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, একমাসের মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে ওই শিক্ষক চলে যাবেন বলে লিখিত দিয়েছেন। যদি পদত্যাগ না করেন, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল ছিদ্দিক বলেন, বিষয়টি আমাকে অবগত করা হয়েছে। এ বিষয়ে অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।