আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

ফুঁসছে ঘূর্ণিঝড় গুলাব, আতঙ্কে উপকূলবাসী

news-image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’ ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করে এগিয়ে আসছে পশ্চিমবঙ্গের দিকে। ফলে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, ঘূর্ণিঝড় গুলাব ক্রমশ বঙ্গোপসাগরের বুকে শক্তি সঞ্চয় করে যদি পশ্চিমবঙ্গে আছড়ে পড়ে তাহলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা আছে। ইতোমধ্যেই উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ভয়ঙ্কর এই ঘূর্ণিঝড়।

পশ্চিমবঙ্গের আলিপুর আবহাওয়া দফত্র সূত্রে জানা গিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি এ গভীর নিন্মচাপ গত ১২ ঘণ্টায় ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। বর্তমানে সেটি অতি গভীর নিন্মচাপে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি।

এদিকে, পূর্ব ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে ক্রমশ উত্তর ও পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে অপর একটি ঘূর্ণাবর্ত। সেটিও ক্রমশ গভীর নিন্মচাপে পরিণত হয়েছে বলে আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে। আজ বিকালের পর ঘূর্ণাবর্তটি ওডিশা উপকূলের কাছাকাছি আসবে। এরই সামন্তরালে অপর একটি ঘূর্ণাবর্ত আগামীকাল রোববার উত্তর বঙ্গোপসাগরের দিকে এগিয়ে যাবে। যার ফলে আগামীকাল থেকে পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সনভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জুড়ে চলছে মাইকিং। উপকূলবর্তী এলাকায় ইতোমধ্যেই মক ড্রিলের কাজ শুরু করে দিয়েছেন দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী।

এদিকে আবহাওয়া অফিসের তরফে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় যাতে কেউ সমুদ্রে না যান তার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য প্রশাসনিক ভবন নবান্ন থেকে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে উপকূলবর্তী এলাকায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে উপকূলরক্ষী বাহিনী এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে। পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনের তরফে খোলা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম। উপকূলবর্তী এলাকায় বাড়ানো হয়েছে পুলিশি নজরদারি।

পশ্চিমবঙ্গের দীঘা, তাজপুর, মন্দারমনি সমুদ্রবর্তী পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পুলিশ মাইকিং করে পর্যটকদের সমুদ্রের ধারে যেতে নিষেধ করছে।