আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

বরগুনার থানা চত্বরে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে প্রীতিভোজের আয়োজন

news-image

চলমান করোনাভাইরাসের প্রভাব বিস্তার ঠেকাতে দেশে সরকারের দেওয়া লকডাউন চলাকালীন তালতলী থানা চত্বরে প্যান্ডেল করে প্রীতিভোজ করাতে গিয়ে স্বাস্থ্যবিধি লংঘনের অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিরুদ্ধে। আজ বেলা ২টার দিকে ঈদুল ফেতর উপলক্ষে লকডাউনের বিধিনিষেধকে উপেক্ষা করে বরগুনার তালতলী থানার ওসি কামরুজ্জামান মিয়া দেড় শতাধিক স্থানীয় রাজনৈতিক,ব্যবসায়ী ও সুশীল ব্যক্তিদের নিয়ে ঈদ উপলক্ষে প্রীতিভোজের আয়োজন করেন।

সেখানে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য রাখা হয়নি হ্যান্ডরাব বা হেক্সিসল। অনেকেই ছিলেন মাস্ক ছাড়া। এছাড়াও মানা হয়নি কোনো ধরণের স্বাস্থ্যবিধি। এতে সচেতন মহল এমন প্রীতিভোজের আয়োজনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছে আগামী ১৬ মে এর পরে দেশে কঠোর বিধিনিষেধ আসছে বলে ঘোষনা দেওয়া হয়। সেখানে পুলিশের দায়িত্ব নাগরিকদের সচেতন করা সেখানে তারাই যদি স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেন তাহ’লে জনগনকে সচেতন করবেন কি ভাবে?

এবিষয়ে তালতলী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন বলেন, থানার প্রীতিভোজের আয়োজনে আমাকেও দাওয়াত দিয়েছিলেন তারা। কিন্তু দেশের চলমান করোনাভাইরাসের প্রভাব ঠেকাতে লকডাউন চলাতে ও স্বাস্থ্যবিধির ঝুকি থাকায় আমি যাইনি।
এবিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, থানায় পুলিশ সদস্যদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কয়েকজন চেয়ারম্যান ব্যতীত তেমন কেউ উপস্থিত ছিলেন না বলে তিনি দাবী করেন।

বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান স্হানীয় সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের বিধিনিষেধ ভিতরে কোনো সামাজিক সমাবেশ এ ধরনের আয়োজন কেউ করতে পারবে না। তবে তালতলী থানার দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের প্রীতিভোজ আয়োজন করা ঠিক হয়নি। আমি বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।