আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

বাগেরহাটে ৬৪টিতে আ. লীগ, দুটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী

news-image

বাগেরহাটে প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬৬টিতে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীক নিয়ে ৬৪ জন বিজয়ী হয়েছেন।

বাকি দুটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ দলীয় ৩৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা ভোটে নির্বাচিত হন।

সোমবার ভোট হয়েছে ২৮টি ইউনিয়নে। এর মধ্যে ২৬টিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকে নিয়ে এবং দুটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন- মোরেলগঞ্জ উপজেলার হোগলাপাশা ইউনিয়নে মো. ফরিদুল ইসলাম এবং একই উপজেলার বারইখালী ইউনিয়নে আব্দুল আউয়াল খান মহারাজ।

বাগেরহাট সদরে বেমরতা ইউপিতে মনোয়ার হোসেন টগর, কাড়াপাড়া ইউপিতে শেখ মহিতুর রহমান পল্টন, বিষ্ণুপুর ইউপিতে মো. মাসুদ রানা, বারুইপাড়া ইউপিতে হায়দার আলী মোড়ল, খানপুর ইউপিতে ফকির ফহম উদ্দিন, ডেমা ইউপিতে মো. মনি মল্লিক এবং রাখালগাছি ইউপিতে কাজী শামীম আচনু।

মোংলা উপজেলার সোনাইলতলা ইউপিতে নাসরিন আক্তার নাজিনা, বুড়িরডাঙ্গা ইউপিতে উদয় শংকর বিশ্বাস, চিলা ইউপিতে গাজী আকবর হোসেন, চাঁদপাই ইউপিতে মোল্লা মো. তরিকুল ইসলাম, সুন্দরবন ইউপিতে মো. একরাম ইজারাদার ও মিঠাখালী ইউপিতে উৎপল কুমার মন্ডল।

মোল্লাহাট উপজেলার উদয়পুর ইউপিতে এস কে হায়দার মামুন, চুনখোলা ইউপিতে মনোরঞ্জন পাল, কুলিয়া ইউপিতে মো. মিজানুর রহমান, গাওলা ইউপিতে শেখ রেজাউল কবীর, কোদালীয়া ইউপিতে শেখ রফিকুল ইসলাম ও আটজুড়ি ইউপিতে মো. মনিরুজ্জামান মিয়া।

শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউপিতে মো. মোজাম্মেল হেসেন, রায়েন্দা সদর ইউপিতে আজমল হোসেন মুক্তা, খোন্তাকাটা ইউপিতে জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন এবং ধানসাগর ইউপিতে মাইনুল ইসলাম টিপু।

মোরেলগঞ্জ উপজেলার তেলিগাঁতি ইউপিতে মোরশেদা আক্তার, পঞ্চকরণ ইউপিতে আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার, পুটিখালী ইউপিতে আব্দুর রাজ্জাক শেখ, দৈবজ্ঞহাটি ইউপিতে শামসুর রহমান মল্লিক, রামচন্দ্রপুর ইউপিতে আব্দুল আলিম হাওলাদার, চিংড়াখালী ইউপিতে আলী আক্কাস বুলু, বনগ্রাম ইউপিতে রিপন চন্দ্র দাস, বলইবুনিয়া ইউপিতে শাহজাহান আলী খান, হোগলাবুনিয়া ইউপিতে মো. আকরামুজ্জামান, বহরবুনিয়া ইউপিতে তালুকদার রিপন হোসেন, জিউধরা ইউপিতে জাহাঙ্গীর আলম বাদশা এবং মোরেলগঞ্জ সদর ইউপিতে মো. হুমায়ুন কবির মোল্লা।

ফকিরহাট উপজেলার সদর ইউপিতে শিরিনা আক্তার কিসলু, বেতাগা ইউপিতে ইউনুচ আলী, পিলজং ইউপিতে মোড়ল জাহিদুল ইসলাম, নলধা মৌভোগ ইউপিতে সরদার আমিনুর রশিদ, লখপুর ইউপিতে শেখ সেলিম রেজা এবং শুভদিয়া ইউপিতে ওমর ফারুক।

কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউপিতে নকীব ফয়সাল অহিদ, গোপালপুর ইউপিতে এস এম আবু বক্কর সিদ্দিক, গজালিয়া ইউপিতে এস এম নাসির উদ্দিন, মঘিয়া ইউপিতে পংকজ কান্তি অধিকারী, ধোপাখালী ইউপিতে শেখ মকবুল হোসেন, এবং রাঢ়িপাড়া ইউপিতে নাজমা আক্তার।

রামপাল উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউপিতে মো. সাবির আহমেদ তালুকদার, হুড়কা ইউপিতে তপন কুমার গোলদার, ভোজপাতিয়া ইউপিতে তরফদার মাহফুজুল হক টুকু, রামপাল সদর ইউপিতে মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার এবং বাঁশতলী ইউপিতে মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, উজলকুড় ইউপিতে মুন্সি বোরহান উদ্দিন জেড, গৌরম্ভা ইউপিতে মো. রাজীব সরদার পেড়িখালী ইউপিতে মো. রফিকুল ইসলাম বাবুল এবং বাইনতলা ইউপিতে ফকির আব্দুল্লাহ।

চিতলমারী উপজেলার হিজলা ইউপিতে কাজী আবু শাহিন, শিবপুর ইউপিতে অলিউজ্জামান জুয়েল, চরবানিয়ারী ইউপিতে অর্চনা রানী বড়াল, সন্তোষপুর ইউপিতে বিউটি আক্তার, বড়বাড়িয়া ইউপিতে মো. মাসুদ সরদার, কলাতলা ইউপিতে মো. বাদশা মিঞা এবং চিতলমারী সদর উপিতে মো. নিজাম উদ্দিন শেখ।

বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারী ফারাজী বেনজীর আহম্মেদ বলেন, বাগেরহাটে দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলার ৬৬টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীক নিয়ে ৬৪ জন বিজয়ী হয়েছেন। আর বাকি দুটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হন। বেসরকারিভাবে এদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।