আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

বালুর দাম বেড়ে দ্বিগুণ উন্নয়নকাজ ব্যাহত

news-image

উন্নয়নকাজে ব্যবহৃত সব ধরনের বালুর দাম গত পাঁচ মাসে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। মোটা ও চিকন—এই দুই ধরনের বালু সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন প্রকল্প, শিল্প-কারখানা তৈরি, আবাসন প্রকল্প এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে ঘরবাড়ি তৈরি ও নিচু ভূমি ভরাটে ব্যবহৃত হয়।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট লোকজন ও বালু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাঁচ মাস আগে প্রতি ঘনফুট মোটা বা আস্তর বালুর দাম ছিল ১০ টাকা, এখন তা ২২ টাকা। প্রতি ঘনফুট চিকন বালুর দাম ছিল চার টাকা। বর্তমানে তা ৯ টাকা।
বালু ব্যবসায়ীদের দাবি, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন নদী থেকে বালু তোলা বন্ধ হওয়ার পর বালুর বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। এখন রাজশাহী, পাবনা, সিলেট থেকে বালু এনে ঢাকা ও ঢাকার আশপাশের পুরো চাহিদা পূরণ করতে হচ্ছে। এতে খরচ বেশি হচ্ছে। তাই দামও বাড়ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও চাঁদপুর জেলার কয়েক লাখ মানুষ বালু ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল ছিল। এসব এলাকায় প্রায় ৩০০ ড্রেজার এখন অকেজো হয়ে আছে। আবার বালু বহনকারী এক হাজার ২০০ বাল্কহেড প্রায় অচল পড়ে আছে। এই দুই খাতের ছোট ছোট বিনিয়োগকারীরা এখন ব্যাংকের দেনাও দিতে পারছে না। আর এর সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক কর্মচারীরা বেকার হয়ে গেছে।

উন্নয়ন ব্যয় বেড়েছে

মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন বালু মহাল থেকে সরকার বালু তোলা বন্ধ রেখেছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনাও অবৈধ বালু তোলার বিরুদ্ধে। অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের কারণে নদীর পাড়ের মানুষের ঘরবাড়ি, জমিজমা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার অনেক ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় আন্দোলনও করেছে পরিবেশবাদীরা।

তবে বালু উন্নয়ন প্রকল্পের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ হওয়ায় এর চাহিদা কমেনি। বরং দিন দিন বাড়ছে। ফলে প্রতিদিনই এর দাম বাড়ছে। এতে উন্নয়নকাজে ব্যয় বাড়ছে। যথাসময়ে বালু না পাওয়ায় কাজ পিছিয়ে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এতে প্রকল্প ব্যয় বাড়ছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডির) সোনারগাঁ উপজেলা প্রকৌশলী আরজুরুল হক বলেন, নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বালু না পাওয়ায় এলজিইডির অধীনে দরপত্র আহ্বান করা অনেক কাজ গত কয়েক মাস ধরে প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়েছে। বালু পাচ্ছে না—এ কারণ দেখিয়ে ঠিকাদাররা নির্মাণকাজ বন্ধ রাখছেন।

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের নির্বাহী পরিচালক (কারিগরি) কার্তিক চন্দ্র দাস জানান, ‘চড়ামূল্য দিয়েও বালু পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের নতুন কারখানা নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে। নির্মাণকাজে ব্যবহার করা আস্তর বালু না পাওয়ায় এই অবস্থা হয়েছে। ’

ইউএস বাংলা এস্টেট লিমিটেডের পরিচালক সাব্বির রেজা কবির জানান, ‘বালুর দাম দ্বিগুণ হওয়ার পরও আমরা কাঙ্ক্ষিত বালু পাচ্ছি না। নদ-নদী থেকে বালু উত্তোলন সরকারিভাবে বন্ধ থাকায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে। আমাদের মতো ঢাকার আশপাশের প্রায় ১০০-এর অধিক আবাসন কম্পানির উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ’

বালু ব্যবসায়ীরাও ভালো নেই

আস্তর বালু ও চিকন বালু মজুদ করে যে ব্যবসায়ীরা ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতেন, তাঁরা এবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ জেলায় বালু মজুদ করে গদির মাধ্যমে যাঁরা ব্যবসা করেন, তাঁদের সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন বলেন, ‘আমাদের সমিতির অধীনে সোনারগাঁ, রূপগঞ্জ, বন্দর, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ সদর ও ডেমরা থানা এলাকায় ৭৫০টি বালুর গদি আছে। পাঁচ মাস ধরে এসব গদির ব্যবসা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। কেউ কেউ পাবনার পাকশী এলাকা থেকে যমুনা নদীর বালু এনে এখানে বিক্রি করছেন। কিন্তু এ বালুর দাম অনেক বেশি। তাই ক্রেতারা খুব বিপদে না পড়লে বালু কিনছেন না। ’

ঢাকার ডেমরা এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে বালুর গদির মালিক আওলাদ হোসেন বলেন, ‘আমার মতো কয়েক শ ব্যবসায়ী পথে বসার জোগাড় হয়েছে। ’

বাল্কহেডের ৭২০ কোটি টাকার ব্যবসা ঝুঁকিতে

বাংলাদেশ বাল্কহেড সমিতির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় এক হাজার ২০০-এর বেশি বাল্কহেড আছে। এসব বাল্কহেড চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলায় নদীপথে বালু পরিবহন করত। ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোয় নদীপথে বালুর চাহিদা মেটাত তারা।

সমিতির নেতারা জানান, প্রতিটি বাল্কহেডের নির্মাণ ব্যয় গড়ে দেড় কোটি টাকা ধরলে এই শিল্পে এক হাজার ৮০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন বাল্কহেডের মালিকরা। ক্ষুত্র এই ব্যবসায়ীরা এখন লোকসানের মুখে পড়েছেন। অনেকে ব্যাংকের কিস্তি দিতে পারছেন না।

বাংলাদেশ বাল্কহেড সমিতির তথ্য মতে, একটি বাল্কহেড থেকে মাসে গড়ে পাঁচ লাখ টাকা আয় হয়। এ হিসাবে বছরে তাদের ব্যবসা ছিল ৭২০ কোটি টাকার। পাঁচ মাস ধরে বেশির ভাগ বাল্কহেড বন্ধ থাকায় অনেকে বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়েছে।

বাংলাদেশ বাল্কহেড সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহম্মদ বলেন, ‘আমরা আর্থিকভাবে খুবই ক্ষতিগ্রস্ত। ব্যাংকঋণের কিস্তির চাপে অনেক মালিক দিশাহারা। অনেকে ঋণের চাপে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। ’ তিনি বলেন, এই এক হাজার ২০০ বাল্কহেডে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান ছিল। তাদের বেশির ভাগ এখন বেকার। সরকারের উচিত দ্রুত এ সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বের করা।

৩০০ ড্রেজার বসে আছে, ৭২ কোটি টাকার ব্যবসা বন্ধ

বালুর ব্যবসার কাজে দুই ধরনের ড্রেজার ব্যবহৃত হয়। নদী থেকে যেসব ড্রেজার বালু উত্তোলন করে ওই ড্রেজারকে লোড ড্রেজার বলে। আর যেসব ড্রেজার বাল্কহেড থেকে পাইপের মাধ্যমে বিভিন্ন নিচু জায়গা ভরাট করে সেসব ড্রেজারকে আনলোড ড্রেজার বলে।

বাংলাদেশ ড্রেজার মালিক সমিতির তথ্যানুযায়ী, ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোতে ৩০০-এর বেশি লোড ও আনলোড ড্রেজার আছে। এসব ড্রেজারের বেশির ভাগ পাঁচ মাস ধরে বন্ধ আছে।

মা-বাবার দোয়া নামের একটি ড্রেজারের মালিক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ড্রেজার তৈরি করেছিলাম। বালু না পেয়ে ড্রেজার বন্ধ থাকায় এখন আমার বাড়িঘর নিলামে তুলেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ’

ড্রেজার মালিকরা জানান, প্রতিটি ড্রেজার তৈরি করতে গড়ে ৭০ লাখ টাকা খরচ হয়। সে হিসাবে ৩০০ ড্রেজারে মালিকদের বিনিয়োগ প্রায় ২১০০ কোটি টাকা। মাসে প্রতিটি ড্রেজারে আয় দুই লাখ টাকার মতো। সে হিসাবে বছরে ৭২ কোটি টাকার ব্যবসায় যুক্ত এসব ড্রেজার।

কাজ হারিয়েছেন শ্রমিকরা

বাল্কহেড ও ড্রেজারের ব্যবসার সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত বেশির ভাগ শ্রমিক কাজ হারিয়েছে। ড্রেজার শ্রমিক রফিকুল ইসলাম জানান, গত কয়েক মাস কাজ বন্ধ থাকায় এখন অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালান তিনি।

স্থানীয় শ্রমিক নেতা তোফাজ্জল হোসেন জানান, বালু ব্যবসার সঙ্গে নানাভাবে যুক্ত প্রায় তিন লাখ শ্রমিক। কাজ হারিয়ে এদের বেশির ভাগ অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। অনেকে বেকার হয়ে পড়েছেন।

বালুমহালের ইতিবৃত্ত

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির নেতৃত্বে জোট সরকারের সময় দেশের সব বালুমহাল ইজারা দেওয়া হতো খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর (বিএমডি) মাধ্যমে। স্থানীয় সংসদ সদস্যরা আধাসরকারিপত্র (ডিউ লেটার) দিয়ে যেসব ঠিকাদারের নামের তালিকা পাঠাতেন শুধু তাঁরা নামমাত্র মূল্যে বালুমহাল ইজারা পেতেন।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ওই নিয়ম বাতিল করে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে খোলা দরপত্রে বালুমহাল ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ২০০৭ সালে জেলা প্রশাসকরা দরপত্র আহ্বান করেন। তাতে নারায়ণগঞ্জে ২৪টি, মুন্সীগঞ্জে ১০টি ও চাঁদপুরে পাঁচটি বালুমহালের গড়ে দর পড়েছিল ৪০ লাখ টাকা করে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় প্রতিটি বালুমহাল গড়ে মাত্র ৮০ হাজার টাকা করে ইজারা দেওয়া হয়েছিল।

খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালের পর থেকে সংস্থাটি মুন্সীগঞ্জ জেলায় ৩২টি, নারায়ণগঞ্জ জেলায় ২৯টি ও চাঁদপুর জেলায় ১৫টি মহাল থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছিল।

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় সূত্র মতে, সর্বশেষ চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের বালুমহালগুলো ইজারা দিয়ে সরকার প্রতিবছর এক থেকে দেড় শ কোটি টাকা রাজস্ব পেত। এতে নদ-নদীগুলোর নাব্যতাও ঠিক থাকত। এসব মহালের বালু দিয়ে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন জেলা শহরে সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন প্রকল্প ও নিচু ভূমি ভরাটের কাজ চলত।

তবে মহালগুলোর ইজারাদাররা দরপত্রের শর্ত লঙ্ঘন করে নদ-নদীর তীর ঘেঁষে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে স্থানীয়দের ফসলি জমির মাটি কেটে নেওয়ার কারণে স্থানীয়দের বাড়িঘর ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার অনেক ঘটনা ঘটেছে। নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের আন্দোলন ও বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার পর জেলাগুলোর বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্তে ২০১৬ সালের পর থেকে সরকার মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও চাঁদপুর জেলার সব বালুমহালের ইজারা বন্ধ করে দেন সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকরা। কিন্তু সরকার ইজারা বন্ধ করে দিলেও বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি। অবৈধভাবে তা চলছিল।

২০১৫ সালে চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সেলিম খান মেঘনা নদীর চাঁদপুর সদর ও হাইমচরে অবস্থিত ২১টি মৌজা এলাকায় জনস্বার্থে নিজ খরচে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ করতে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ২০১৮ সালে হাইকোর্ট ওই সব ডুবোচর থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতি দিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন। তখন থেকে চলতি বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ওই এলাকায় বালু উত্তোলন করা হয়। মূলত ওই বালু দিয়ে ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোর বালুর চাহিদা মেটানো হতো।

চার বছর পর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করার পর আদালত চাঁদপুরের মেঘনা থেকে সব ধরনের বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের পর পাঁচ মাস ধরে নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও চাঁদপুরের সব নদ-নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে।

উত্তরণের পথ

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশাসনের তদারকিতে বালু তোলা হলে একদিকে সরকারের রাজস্ব বাড়ত, অন্যদিকে সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতো না। নদীর নাব্যতাও ঠিক থাকবে এতে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ জানান, ‘বালুমহাল ইজারা দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত আমরা পাইনি। সরকারি সিদ্ধান্ত হলে যেসব বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলন করলে নদীর তীরের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, সেসব মহাল ইজারা দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

এ জাতীয় আরও খবর

১৫১ প্রতিমা নিয়ে বড় দুর্গাপূজার আয়োজন

স্বজন হারানোর আহাজারির মাঝেই চলছে অবৈধ বালু তোলার মহোৎসব

নূরুল ইসলাম রাজা দ্বিতীয়বার মানিকগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত

শ্রীবরদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে দায়ী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: বিদায়ী র‌্যাব ডিজি

কক্সবাজারের রামু বাঁকখালীর বাঁকে বাঁকে অবৈধ ড্রেজার আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা–কর্মীরা মিলেমিশে নদীর ২৫টি অংশে ৫০-৫৫টি খননযন্ত্র বসিয়ে দৈনিক ৫০০ ট্রাক বালু তুলছেন।

নিলামে বালু বিক্রি, ১৩ সরকারি কর্মকর্তাকে চিঠি বেলার

মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে নিলামে বালু দিলেন ইউএনও

অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন হুমকিতে শত কোটি টাকার সেতু

ভূঞাপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালন

তথ্য অধিকার আইন, দোরগোড়ায় সুফল পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী