আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

মানিকগঞ্জে ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসী, হাতুড়ে ডাক্তার ও দালাল দৌরাত্ম চরমে

news-image

সুরেশ চন্দ্র রায়, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার, রাস্তার আশেপাশে, অলিতে গলিতে ও অনেক বাড়িতে গড়ে উঠেছে শত শত ঔষধের দোকান। কিছু সংখ্যক ব্যতীত অধিকাংশ ফার্মেসীর ড্রাগ লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ উপজেলাবাসীর।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, যত্রতত্র গড়ে উঠেছে ঔষধের দোকান। অথচ অধিকাংশ ফার্মেসী মালিকেরই নেই ড্রাগ লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। যাদের ড্রাগ লাইসেন্স আছে তাদের মধ্যে অনেকেরই রয়েছে নবায়ন জটিলতা। শুধু তাই নয়, এদের অনেকেরই নেই কোন প্রশিক্ষন সনদ ও নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা। অনেক ফার্মেসীতে দেখা গেছে, হিউম্যান মেডিসিনের পাশাপাশি তারা অবাধে বিক্রি করছে ভেটেনারি মেডিসিন। যা ঔষধ প্রশাসনের সম্পূর্ন নীতিমালা বহির্ভূত। অনেক ফার্মেসী মালিক ভিডি, এলএমএএফ, আরএমপিসহ নানাবিধ ডিগ্রী ব্যবহার করে তাদের নামের পূর্বে ডাক্তার শব্দটি জুড়ে দিয়ে রোগী দেখে যাচ্ছেন অবলীলায়। জ্বর, ঠান্ডা, কাশি থেকে শুরু করে জটিল জটিল রোগও যেন এদের কাছে সাধারন বিষয়। এদের কথার ফুলঝুড়িতে মনে হবে এরা যেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চেয়েও বেমি জানেন।
মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের একজন মেডিকেল অফিসার বলেন, ফিজিক্র, কেমিষ্ট্রি, বাইলোজী,এনাটমি, ফিজিওলজি, ফার্মাকোলজি, হাইজিন, জুড়িপ্রুডেন্স, গাইনোকোলজি, প্রাকটিস অব মেডিসিন, সার্জারি ও প্যাথলজি সম্পর্কে এ সকল নাম সর্বস্য ডাক্তারদের নূন্যতম ধারনা না থাকলেও এরা রোগী দেখে যাচ্ছেন দাপটের সঙ্গে। আবার অনেক ফার্মেসীর মালিক আছেন যারা নিজেদেরকে ডাক্তার দাবি করে রোগীদের কাছ থেকে যথারীতি নিচ্ছেন ভিজিট। এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে এরা যেন সিদ্ধহস্ত। এমোক্রাসিলিন, এজিথ্রোমাইসিন, সেফিক্সাইম, সেফুরক্সিম এক্সেটিল, সেফোডক্সিল প্রোক্সেটিল, সেফট্রিয়াক্সনসহ ব্রডস্পেকটাম এন্টিবায়োটিক রোগীদের দিয়ে থাকেন।
এদের অপচিকিৎসায় রোগীরা সাময়িক উপশম পেলেও পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্থ হন অনেক বেশি। গ্রামের অশিক্ষিত কতিপয় রোগী, ক্লিনিক ব্যবসার সাথে যুক্ত ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন নি¤œমানের ঔষধ কোম্পানির মেডিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভরা এ সকল কথিত ডাক্তারদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে অনেকের। রোগীদের শুধু ব্যবস্থাপত্র দিয়েই সন্তোষ্ট নন এ সকল ডাক্তার। এরা সার্জারিও করে থাকেন অনেক ক্ষেত্রে। এতে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে  বেশকয়েকেজন  সচেতন ব্যক্তি বলেন, এদের কাছে রোগী আসলে তারা বিভিন্ন ক্লিনিকে  রেফার্ড করে পারসেন্টেন্স পেয়ে থাকে। এটি রোগীর দালালী ছাড়া আর কিছুই নয়। আইন করে শক্ত হাতে এদের প্রতিহত করা প্রয়োজন।
মানিকগঞ্জ জেলা ড্রাগ সুপার গৌরি রানী বসাক বলেন, ড্রাগ লাইসেন্স ও নিম্নমানের ঔষধের বিষয়ে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। অফিসে জনবল কম থাকায় পর্যায়ক্রমে সকল উপজেলায় অভিযান চালানো হচ্ছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

কোয়ারেন্টিন শেষে বিদেশফেরত ২১৯ বাংলাদেশি কারাগারে

যত্রতত্র পশুরহাটের অনুমতি দেয়া যাবে না : ওবায়দুল কাদের

ভেন্টিলেটর কাজে লাগে না, মানুষ মরে যায়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

করোনার ভয়াবহতা এখনও বাকি : ডব্লিওএইচও

আগামীকাল সকাল ১১টা থেকে সদরঘাটে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য নিবে তদন্ত কমিটি

সুন্দরগঞ্জে শিশু ধর্ষণচেষ্টা, যুবক গ্রেপ্তার

ভাগ্নিকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন, এরপর বাবা-মামা মিলে হত্যা

ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির ঘটনায় মহিলা পরিষদের উদ্বেগ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারে সম্পাদক পরিষদের তীব্র নিন্দা

ওয়ারীতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে স্বামী তিন দিনের রিমান্ডে

ডাক্তারদের থাকা-খাওয়ার কোনো দুর্নীতি হয়নি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জাহিদকে সরিয়ে মতিয়াকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করার দাবি সংসদে