আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

মানিকগঞ্জে শিশু সিনহাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় কিশোর গ্রেপ্তার

news-image

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পশ্চিম শানবান্দা গ্রামে শিশু সিনহাকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে সিফাত হোসেন শাকিল (১৪) নামের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে বাড়ি থেকে ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় উদ্ধার করা শিশুটির কানের দুল ও গলার হার। বুধবার আদালতে অভিযুক্ত সিফাত ১৬৪ ধারায় ধর্ষণ ও হত্যার দায়স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।
মামলার এজাহার এবং পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণ ও হত্যার শিকার সিনহা আক্তার (৭) সদর উপজেলার গ্রামের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল । গত শুক্রবার (২১ মে) দুপুরের পর বাড়ি থেকে খেলাধূলা করতে শিশু সিনহা আক্তার বাড়ির বাইরে বের হয়। এর পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। পরের দিন শনিবার দুপুরে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একটি কাঠবাগানের ভেতর গলায় গামছা পেঁচানো সিনহার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর পর লাশের ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় শিশুটির নানা আবদুল বারেক বাদি হয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ের কয়েকজনকে আসামিকে করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন এবং অপরাধ) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর পর গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিবেশী সিফাত হোসেন শাকিলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়। সিফাত হোসেন শাকিল পুলিশের কাছে ও আদালতে স্বীকার করেছে সে সিনহা আক্তারকে বিকেলে কাঠ বাগানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। রক্তাক্ত অবস্থা ও ধর্ষণের ঘটনা বাড়িতে বলে দিতে পারে এই অংশকায় সিফাত শিশু সিনহাকে গলাটিপে হত্যা করে একটি গামছা দিয়ে লাশ গাছে সাথে বেঁধে রাখে। এর পর সিনহার গলায় রূপার হার ও কানের স্বর্নে দুল বাড়িতে নিয়ে আলমারীতে রেখে দেয়। জিজ্ঞাসাবাদে কিশোর সিফাত বাড়ির আলমারি থেকে দুল ও হার বের করে দেয়।
এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান বলেন, বুধবার দুপুরে কিশোর সিফাহ হোসেন শাকিলকে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারকের নির্দেশে টঙ্গীর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।