আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

মিথ্যা অপবাদ নিয়ে মরতে চাই না: মেয়র জাহাঙ্গীর

news-image

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও পুনর্বিবেচনা করতে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দাবি জানিয়েছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম।
গাজীপুর নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার করার পর শনিবার সকালে বোর্ডবাজার হারিকেন এলাকার নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
মেয়র জাহাঙ্গীর কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি কোনো পদ চাই না, আমি আওয়ামীলীগের সমর্থক হিসাবে বাঁচতে চাই। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার অস্তিত্বের রক্তের সম্পর্কের ছেদ ধরাতে একটি মহল ষড়যন্ত্রের জাল বুনেছিল।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী ও আমি যখন দেশের বাইরে ঠিক তখনই বিভিন্ন সময় যুক্তি তর্কের অডিও কাটছাঁট করে আংশিক ফেসবুকে প্রকাশ করে অপপ্রচার করা হয়েছে। আমি আবারও বলছি, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। আমাকে ক্ষমা করে অন্তত আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসাবে থাকতে দিন।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশনেত্রী শেখ হাসিনা যদি বলেন আমি বিনা কারণে ফাঁসিতে ঝুলব। আমাকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে বহিষ্কার করলেও আমার আপত্তি নাই। আমি পদ-পদবি চাই না। আমি আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসাবে বাঁচতে চাই।
সংবাদ সম্মেলনে মেয়র জাহাঙ্গীর কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় নেতাকর্মীরাও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
মেয়র আরও বলেন, আমার সঙ্গে অবিচার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বুঝানো হয়েছে। ছাত্রলীগের মাধ্যমেই আমার রাজনীতি শুরু। আমাকে আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসাবে বাঁচতে দিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশ্যই পুনর্বিবেচনা করবেন।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘উনি চাইলে যে কোনো সময় ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে রাজি। আমার মা আমার অবিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমার প্রতিপক্ষরা আমাকে মারার ষড়যন্ত্র করেছে।’
তিনি বলেন, যারা ঘরে ঢুকে অডিও করে তাদের বিচার হয়নি। আমি ভুল করতে পারি, আমার ভুল হতে পারে। কিন্তু আমি কোনো পাপের সঙ্গে জড়িত নই।
সংবাদ সম্মেলনে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে মেয়র জাহাঙ্গীর বলেন, আমি আওয়ামী লীগের জন্য, বঙ্গবন্ধুর জন্য, আমার মা সমতুল্য প্রধানমন্ত্রীর জন্য জীবন দিতে রাজি, তবু মিথ্যা অপবাদ নিয়ে মরতে চাই না। বিশ্বমানবতার মা, আমার মায়ের কাছে বলতে চাই- আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে পুনর্বিবেচনা করুন।

এ জাতীয় আরও খবর

নির্বাচনী বিরোধে প্রাণ গেল ১ জনের

এসআই ফখরুল কাণ্ডে অতিষ্ঠ এক ‘মা’!

৩৫ বছর বয়সী একজন রাজনৈতিক নেত্রী স্কুল পোশাকে আন্দোলন করছেন: তথ্যমন্ত্রী

৬ ছাত্র হত্যার ফাঁসির আসামিকে নৌকার মনোনয়ন, পরে প্রত্যাহার

ইরানের বন্দরে পাকিস্তানের ৩ যুদ্ধজাহাজ

নভেম্বরে ১ লাখের বেশি কর্মী বিদেশ গেছেন

দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েও করোনায় ঢাবি অধ্যাপকের মৃত্যু

ছাইয়ে তলিয়ে গেছে গ্রাম, চাপা পড়েছে গাড়ি

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ: কয়রায় বেড়িবাঁধ ভেঙে দুই গ্রাম প্লাবিত

অর্থপাচারকারী প্রিন্স মুসা, মিন্টু-তাবিথদের তালিকা হাইকোর্টে, যা বললেন আদালত

সন্তান বিক্রি করতে যাওয়া সেই বাবা পেলেন অটোরিকশা

মৃত ভেবে সীমান্তে শাহাজানকে ফেলে দিয়েছিল মামারা