আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

মেয়ে পছন্দ না হওয়ায় জোর করে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা ইন্সপেক্টর রাকিবের প্রচেষ্টায় উদ্ধার,আটক ২

news-image

১৫ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুর ১২.৩০ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত সৈনিক মোঃ জয়নুল ইসলাম পিতাঃ মোঃ আবু তাহের সাং- ফুলবাড়ী থানাঃ ও জেলাঃ গাইবান্ধা তার বাবা ও এক বন্ধু মোঃ নাজমুল ইসলাম সহ মেয়ে দেখার জন্য পলাশবাড়ী থানাধীন মনোহরপুর ইউনিয়নের (কাজির বাজার) জনৈক সোনা মিয়ার বাড়ীতে আসে।জয়নুল ইসলাম মেয়েকে দেখার পর পছন্দ না হওয়ায় তারা বাড়ী যাবার জন্য সোনা মিয়ার বাড়ী হতে বের হতে চাইলে১। মোঃ সাজু মিয়া পিতাঃ মৃত মসরত উল্ল্যাহ ব্যাপারী ২। মোঃ গোলাম হোসেন পিতাঃ মোঃ আঃ সামাদ উভয় সাং- মনোহরপুর (কাজিরবাজার) থানাঃ পলাশবাড়ী জেলাঃ গাইবান্ধা সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জন জয়নুল, তার বাবা ও বন্ধু নাজমুলকে সোনা মিয়ার ১টি ঘরে জোরপুর্বক আটক করে তালা দিয়ে দিয়ে রাখে।এবং বিয়ের জন্য চাপ দেয়। স্থানীয় কাজিকে ডেকে জোরপুর্বক রেজিস্ট্রী করার চেষ্টা করে। বিষয়টি গোপন সংবাদের মাধ্যমে হরিনাবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র জানতে পেরে তাৎক্ষনিকভাবে কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো রাকিব হোসেনের নির্দেশে এস আই রফিকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে উপরোক্ত ২ জনকে আটক করা হয়।উক্ত সময় অজ্ঞাতনামা আসামীরা পালিয়ে যায়। উক্ত এলাকায় কিছু উচ্ছৃঙ্খল বখাটে ছেলেরা মেয়ে পক্ষ নিয়ে জোরপুর্বক ছেলেদের জিম্মি করে স্থানীয় কাজির মাধ্যমে বিয়ে সম্পাদন করে দেয় । কিছু ক্ষেত্রে ছেলের অভিভাবকের নিকট টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়। ধৃত আসামী সহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রুস্তুতি চলছে।
ঘটনার সত‍্যতা নিশ্চিত করে হরিনাবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো রাকিব হোসেন বাংলাদেশ বুলেটিনকে জানান এ বিষয়ে দুই জনকে আটক করা গেলেও বাকিরা সুযোগ বুঝে পালিয়ে যায়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রুস্তুতি চলছে।জোরপুর্বক কাউকে আটক করে বিয়ে দেয়ার ব্যাপারে স্থানীয় লোকজনদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন পুলিশের এ কর্মকর্তা ।