আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতায় দায়ীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: যুক্তরাষ্ট্র

news-image

যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতা এবং অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসার দাবি এবং তা কার্যকর করার অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

মিয়ানমারের উত্তর রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ জাতিগত নিধনের চতুর্থ বার্ষিকীতে মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছে, “আমরা এই সহিংসতার মূল কারণগুলো সমাধানের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি এবং অপরাধীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে যাতে এই ধরনের নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।”

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের এনইউজি এবং অন্যান্য গণতন্ত্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রযাত্রা এবং ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন সংস্কারের অঙ্গীকার এবং রোহিঙ্গা ও অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর সদস্যদের রক্ষায় অন্যান্য পদক্ষেপকে স্বাগত জানায়।

পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, “রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের সকল জনগণের মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদা রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপগুলো প্রয়োজন।”

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র নিহতদের স্মরণ করে এবং এই নৃশংসতা ও অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানায় এবং নিহত ও নির্যাতিতদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র নিপীড়ন এবং অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ন্যায়বিচার এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহিতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “সেদিন সামরিক জান্তার নৃশংসতা ও বর্বরতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিবেককে হতবাক করেছিল। আমরা স্বীকার করি যে রোহিঙ্গারা কয়েক দশক ধরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে এবং এর মধ্যে অনেকে এখনো নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।”

বিবৃতিতে বলা হয়, একই সামরিক নেতারা যারা ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে, তারা সারা দেশে গণতন্ত্রপন্থী কর্মী এবং জাতিগত ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে।

“আমরা দেখেছি ২০১৭ সালে একই লাইট ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংস নির্যাতন চালিয়েছে, একই বাহিনী জান্তার অভ্যুত্থানের পর গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্মম সহিংসতা চালাচ্ছে।”

অভ্যুত্থান এবং সামরিক বাহিনীর পরবর্তী অভিযানের বর্বরতা মিয়ানমার জুড়ে রোহিঙ্গাসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বার্মায় মানবিক সহায়তা প্রয়োজন এমন সমস্ত মানুষের কাছে নির্বিঘ্নে মানবিক সহায়তার প্রবেশাধিকারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরছে।

২০২১ সালের মে মাসে রোহিঙ্গাদের মানবিক সংকটের মোকাবিলায় যৌথ পরিকল্পনা কার্যক্রম শুরু করার সময় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং আশ্রয়দাতা কমিউনিটির সদস্যদের পাশাপাশি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সহায়তার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে প্রায় ১৫৫ মিলিয়ন ডলার নতুন সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ঘিওরে বউ এর বদলে কপালে জুটলো জেলখানা

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

চার দিন পর সুকানীর লাশ উদ্ধার

লাইফ সাপোর্টে সালমান রুশদি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল পাম্প বিস্ফোরণে ২জন নিহত

ঘিওরে সড়ক দুর্ঘটনায় অটোচালক নিহত

শিবালয়ে কবরস্থান থেকে ১২ কঙ্কাল চুরি

শিবালয়ে জাতীয় শোক দিবসের প্রস্তুতিমূলক সভা

অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন এবং ওজনে কারচুপি ফতুল্লায় আমিন স্কোয়ার বিডি লিমিটেডকে লাখ টাকা জরিমানা

বই পড়ার অভ্যাস মানুষের কল্পনা শক্তি বাড়ায় : জাফর ইকবাল

নারায়ণগঞ্জে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ র‌্যাবের জালে তেল চোর চক্রের ২ সদস্য