আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

লঞ্চে উপচে পড়া ভিড়, স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত

news-image

শুক্রবার কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হচ্ছে। বাড়তি ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে ঈদের দ্বিতীয় দিন আজ বৃহস্পতিবার পটুয়াখালী জেলার অনেকেই তাঁদের কর্মস্থল ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। দুপুর থেকেই লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে। করোনার সংক্রমণ রোধে লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা থাকলেও যাত্রীরা তা মানছেন না।

পটুয়াখালী থেকে ঢাকা পথে চারটি করে লঞ্চ চলাচলের অনুমতি থাকলেও লঞ্চগুলোতে যাতে বেশি যাত্রী বহন না করা হয়, সে জন্য পটুয়াখালী নদীবন্দরে অতিরিক্ত আরও তিনটি লঞ্চ প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। আজ পটুয়াখালী থেকে সাতটি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে পটুয়াখালী নদীবন্দরে গিয়ে দেখা গেছে, টার্মিনালে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার জন্য সাতটি লঞ্চ প্রস্তুত। লোকজন টার্মিনালে এসেই লঞ্চে আসন নিচ্ছেন। টার্মিনাল এলাকায় বেশির ভাগ মানুষ শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখছেন না। অনেকের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। লঞ্চের ডেকে বসা যাত্রীদের অনেকেরই মুখে মাস্ক ছিল না। কারও কারও মাস্ক ছিল থুতনিতে। যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি না মেনে একে অপরের গা ঘেঁষে লঞ্চের ডেকে বসে ছিলেন।

লঞ্চ কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য সুরক্ষায় লঞ্চে ঢোকার সময় যাত্রীদের জীবাণুনাশক এবং যাদের মুখে মাস্ক নেই, তাদের মাক্স সরবরাহ করছে। এ ছাড়া সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ডেকে বসার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। তারপরও অনেক যাত্রীকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নির্দেশনাগুলো মানতে দেখা যায়নি।
বিকেল সোয়া পাঁচটা থেকে লঞ্চগুলো পর্যায়ক্রমে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যাত্রীদের চাপ থাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি ও পটুয়াখালী নদীবন্দরের নির্দেশনায় লঞ্চগুলো বিকেল পৌনে চারটা থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।

পটুয়াখালী নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘শুক্রবার থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হচ্ছে। এ কারণে ঢাকাগামী যাত্রীদের চাপ বেশি। যাত্রীরা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন, সে জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। যাত্রীদের মাস্ক পরার বিষয়ে তাগিদ দিতে টার্মিনাল এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। কোনো লঞ্চ যাতে বেশি যাত্রী পরিবহন না করে, সে লক্ষ্যে অতিরিক্ত আরও তিনটি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নজরদারি রয়েছে।