আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

শিবালয়ের দুর্গম চরাঞ্চলে নির্মাণ হচ্ছে মুজিবকিল্লা

news-image

সুরেশ চন্দ্র রায়, মানিকগঞ্জ : মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল আলোকদিয়ার চরে ত্বরিত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে মুজিবকিল্লার নির্মাণ কাজ।
এ কিল্লার নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় অসহায় চরাঞ্চলবাসী এখানে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে আশ্রয় নিতে পারবেন। এ কিল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিনের ভোগান্তিতে থাকা চরাঞ্চলবাসির মনে স্বস্তির নিঃশ্বাস দেখা দিয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে এ ভবন। এ ভবনের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে যেন বিরাজ করছে ঈদের আনন্দ। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এখানকার মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। এখন তারা প্রয়োজনের মুহূর্তে পরিবার পরিজন ও গবাদি পশু নিয়ে এখানে নিরাপদে আশ্রয় নিতে পারবেন এই আনন্দে তারা আত্মহারা।

তেওতা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরের সাথে এ বিষয়ে কথা হলে তিনি জানান, মানিকগঞ্জ-১ আসনের মাননীয় সাংসদ এএম নাঈমুর রহমানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আজ শিবালয়ের দুর্গম চরাঞ্চল আলোকদিয়ারচরে বহুল প্রতিক্ষিত এবং কাঙ্ক্ষিত মুজিবকিল্লা নির্মাণ হচ্ছে। এ কিল্লার বাস্তব রুপদানে চরাঞ্চলবাসি জননেত্রী শেখ হাসিনা ও এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের কাছে চির কৃতজ্ঞ।
প্রতি বছরই প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় এ অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। তখন তারা খেয়ে না খেয়ে বৌ বাচ্চা নিয়ে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করেন। এখানে এরকম একটি প্রকল্প দেয়ায় আমিও ব্যক্তিগত ভাবে প্রধানমন্ত্রী এবং এমপি মহোদয়কে অশেষ ধন্যবাদ জানাই।

মানিকগঞ্জ-১ আসনের এমপি এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় জানান , প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় চরাঞ্চলের মানুষের অবর্ণনীয় দুঃখ কষ্ট দীর্ঘদিনের সাথী ছিল। কিন্তু এখন সেখানে মুজিবকেল্লা নির্মাণ হওয়ায় এ অধ্যায়ের অবসান হলো। এখন তারা চিন্তামুক্ত ভাবে দিনাতিপাত করতে পারবেন। এ কিল্লা নির্মাণ হওয়ায় আমি মহাখুশী এবং চরাঞ্চলবাসিও নিঃসন্দেহে আনন্দিত। দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা এখানে মুজিবকিল্লা প্রদান করায় আমি তাকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং সাধুবাদ জানাই। আলোকদিয়াবাসি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।