আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

শিবালয়ে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে হরি লুটের অভিযোগ ফেরদৌসীর বিরুদ্ধে

news-image

মানিকগঞ্জে শিবালয় উপজেলার আরুয়া ইউনিয়নে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (টি,আর ও কাবিখা) উন্নয়নে মহিলা মেম্বার ফেরদৌসীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে করা হয়নি। প্রকল্প দেখিয়েও কোনো কোনো প্রকল্পের সব টাকাই হয়েছে লুটপাট। অনেক প্রকল্প থাকলেও পায়নি প্রকল্পের কোনো অর্থ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিরা। কেউ কেউ প্রকল্পের টাকা পেয়েছে অর্ধেক।
গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষনের জন্য ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ পর্যায়ের কাজে সরকার মসজিদ, মন্দির, রাস্তা, স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে টি আর ও কাবিখা প্রকল্পের মাধ্যমে নগদ অর্থ বরাদ্দ দেয়।দুইদিন ব্যাপী সরেজমিন আরুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখার সময় ব্যাপক অনিয়মের চিত্র ভেসে উঠে। যার মধ্যে অধিকাংশ কাজের সভাপতি ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার ফেরদৌসী বেগম।

গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের টি আর প্রথম পর্যায়ের আওতায় আরুয়া ইউনিয়নের রড়রিয়া কবরস্থানের মাটি ভরাটের জন্য ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ পেলেও প্রকল্প সভাপতি ফেরদৌসী কোনো কাজ না করেই বিল উত্তোলন করেন।

এরপর দ্বিতীয় পর্যয়ে ইউনিয়নের অন্তর্গত গৈজদ্দিনের বাড়ি হতে নজরুল মাষ্টারের রাস্তা পূনঃনির্মাণের জন্য ১ লক্ষ ১০ হাজার বরাদ্দ থাকলেও আংশিক কাজ করে সম্পূর্ণ বিল উত্তোলন করেন।

তারপর ৪র্থ পর্যায়ে ছোট ধুতরাবাড়ি (কে আলী খান) কবরস্থানের মৃতদেহ রাখার ঘর নির্মাণের জন্য ১ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকে। সংশ্লিষ্ট কাজের সভাপতি ফেরদৌসী অর্ধেক টাকা উত্তোলন করে নেন ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করবে বলে।
এরপর ত্রিলোচন পট্টির মরিয়ম জলিল জামে মসজিদের মাটি ভরাটের জন্য ৫০ হাজার, নালী পূর্ব পাড়া শ্বশানঘাটের মাটি ভরাট বাবদ ৫০ হাজার ও দড়িকান্দি মধ্য পাড়া কবরস্থানের মাটি ভরাটের জন্য ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কাজ জুন মাসের মধ্যে শেষ করবে বলে অর্ধেক টাকা উত্তোলন করেন মাহিলা মেম্বার ফেরদৌসী। কিন্তু কাজের মেয়াদ শেষ হলেও বাস্তবে সেখানে কোনো কাজ হয়নি।

এ বিষয়ে বরাদ্দকৃত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত ব্যাক্তিদের সাথে কথা বললে তারা জানান, সরকারের উন্নয়নের বরাদ্দকৃত কোন টাকা আমরা পাই নাই।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য ফেরদৌসী বেগম হুমকিস্বরুপ বলেন, টি আর, কাবিখার যে টাকা বরাদ্দ আসে অফিস তা হতে ১০% টাকা কেটে রাখে বাকী টাকা দিয়েই আমাদের কাজ শেষ করতে হয়। এই টাকা কেন কেটে রাখে তা জানি না। কাজ শেষ হলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমাদের কাজ দেখে বিল দেন। আমার প্রকল্পে কোন অনিয়ম নেই।

তিনি প্রতিবেদককে আরো বলেন, আপনারা আমাকে দুই সাপ্তাহ সময় দিলে আমি সব কাজ শেষ করে দিব।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুদেব কৃঞ্চ বলেন, টি আর ,কাবিখার কাজে কোন টাকা কেটে রাখা হয় না। এই কাজে কোন অনিয়ম পেলে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিব। তবে চুক্তিমোতাবেক ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না করিলে তাদের টাকা ফেরত দিতে হবে।

এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানা বলেন, আরুয়া ইউনিয়নে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারে মহিলা মেম্বার ফেরদৌসীর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যাবস্থা নিব।

এ জাতীয় আরও খবর

১১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে চাষাঢ়া-খাঁনপুর-হাজীগঞ্জ-গোদনাইল-আদমজী ইপিজেড সড়ক কাজ এগিয়ে চলছে

এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে শিবালয়ের যমুনা ড্রেজার মুক্ত

নারায়ণগঞ্জে বাস চাপায় ইষ্ট ওয়েষ্ট ইউনিভার্সিটির দুই শিক্ষার্থী নিহত : অভিযুক্ত চালক গ্রেপ্তাার

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাসোহারা না দেয়ায় নির্যাতন, এএসআই ক্লোজড

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের সোর্স পরিচয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

নারায়ণগঞ্জে অটোরিক্সা চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযান, গ্রেপ্তার ১৪

সিদ্ধিরগঞ্জে লন্ডন প্রবাসীকে মৃত দেখিয়ে প্রবাসীর বাড়ী দখল

ঘিওরে নবাগত ওসির সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ঘুমন্ত স্বামীর বিশেষ অঙ্গন কর্তন, স্ত্রী গ্রেপ্তার

‘লাল পতাকা দেখালেও কথা শুনেনি চালক’

ধলেশ্বরী নদী থেকে মাছ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার