আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

সাংবাদিক রোজিনাকে গ্রেপ্তারের নিন্দা ও প্রতিবাদ, নিঃশর্ত মুক্তির দাবি

news-image

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি, সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সোমবার রাতে তাকে গ্রেপ্তারে প্রতিবাদ ও মুক্তির দাবি জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি। অপরদিকে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দ্য কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট (সিপিজে)।

এছাড়া তাকে গ্রেপ্তারে নিন্দা ও প্রতিবাদের পাশাপাশি তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ), বাংলাদেশ হেলথ্ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ) ও বাংলাদেশ ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট ফোরাম বিজেসি এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন লেখক ও প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক আনিসুল হক।

রোজিনা ইসলামকে দ্রুত মুক্তি ও তার উপর হামলাকারী কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে রিপোর্টার্স এগেইনস্ট করাপশন। অপরদিকে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ রোজিনা ইসলামকে নির্যাতন ও কারাগারে পাঠানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

অপরদিকে আজ (মঙ্গলবার) সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত সকাল ১১টার সংবাদ সম্মেলন বয়কট করেছে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ)।

তারা এ ব্যাপারে পরবর্তী কর্মসূচি কার্যনির্বাহী কমিটির আজকের জরুরি সভা থেকে ঘোষণা করবে বলে জানান বিএসআরএফ সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ।

‘গুরুত্বপূর্ণ’নথিপত্র নেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে আজ সকালে ঢাকা সিএমএম আদালতে নেয়া হয়। মঙ্গলবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৭টায় তাকে শাহবাগ থানা থেকে আদালতে আনা হয়। তার আগে সোমবার বিকেলে তাকে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখার পর রাতে থানায় মামলা করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

ডিএমপির রমনা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব ডা. মো. শিব্বির আহমেদ উসমানী প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। দণ্ডবিধি ৩৭৯, ৪১১ ধারায় ও অফিসিয়ালস সিক্রেসি অ্যাক্ট ৩ ও ৫ ধারায় মামলা করা হয়েছে।