আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

সিঙ্গাইরে ছাত্রলীগ নেতা মিরুর ঘাতকদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

news-image

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মিরু হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে পৌর এলাকার ভাষা শহীদ রফিক সড়কে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা হয়। এতে অংশ নেন উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগসহ দলটির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আধাঘন্টা ব্যাপী মানবন্ধন শেষে একই স্থানে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শাহীনুর রহমানের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুশফিকুর রহমান খান হান্নান, নব-নির্বাচিত পৌর মেয়র আবু নাঈম মোঃ বাশার, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহিদুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাদরীন সুমি ও নিহত মিরুর বড় ভাই মোঃ রেজাউল করিম হিরু প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, ছাত্রলীগ নেতা ফারুক হোসেন মিরুর খুনীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে। এই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সিঙ্গাইর কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোঃ দুলাল ও তার বড় ভাই উপজেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন আঙ্গুরসহ সকল আসামী ও ঘটনার ইন্ধন দাতা গডফাদারের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানানো হয়। প্রতিবাদ সভা শেষে ছাত্রলীগ কর্মীরা মিরুর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনোয়ারা খাতুন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সায়েদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়েদুল হক, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রবিউল আলম উজ্জল, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্য, শারমীন আক্তার, জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল আলীম, কহিনুর ইসলাম সানি ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি উবাইদুর রহমানসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগসহ দলটির সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, দলীয় কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে গত সোমবার (১ মার্চ) দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন পুরাতন বাসষ্ট্যাণ্ডে বিএডিসি গোডাউনের সামনে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক হোসেন মিরু সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। মঙ্গলবার (২ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২ টায় ঢাকাস্থ জাতীয় অর্থোপেডিক (পঙ্গু) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় ১২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করেন নিহত মিরুর বড় ভাই মোঃ রেজাউল করিম হিরু।