আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

হিন্দুপল্লিতে হামলা মামলার ২ আসামির মনোনয়ন বাতিল

news-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার হিন্দু পল্লিতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ মামলার চার্জশিটভুক্ত দুই আসামি দেওয়ান আতিকুর রহমান আখি ও আবুল হাসেমকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে আবুল হাসেম নাসিরনগর সদর এবং আখি হরিপুর ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিল।

এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। অবশেষে বুধবার রাতে তাদের মনোনয়ন বাতিল করেছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

সদরে আবুল হাসেমের পরিবর্তে পুতুল রানী বিশ্বাস ও হরিপুরে আতিকুরের পরিবর্তে ওয়াসিম আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

আতিকুর রহমান উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা। তিনি ২০১৬ সালে নাসিরনগরে মন্দির ও হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলার ঘটনার অন্যতম হোতা।

আবুল হাসেম সদর ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহপ্রচার সম্পাদক। তিনি প্রয়াত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হকের ভাগনে। হামলার ঘটনার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছিল জেলা আওয়ামী লীগ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার বলেন, নাসিরনগর সদর ও হরিপুরের বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান দুজনই মন্দিরে হামলা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। তাদের মনোনয়ন না দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ করা হয়েছিল। প্রথমে তারা মনোনয়ন পেলেও বুধবার রাতে তাদের মনোনয়ন বাতিল করেছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

জানা যায়, জেলার নাসিরনগর উপজেলার হরিণবেড় গ্রামের রসরাজ দাস নামে জেলে পরিবারের এক যুবক ফেসবুকে ধর্ম অবমাননাকর ছবি পোস্ট করেছে-এই অভিযোগ তুলে ২০১৬ সালের ২৯ অক্টোবর তাকে পুলিশে দেয় একদল এলাকাবাসী। এই ঘটনার পরদিন এলাকায় মাইকিং করে নাসিরনগর উপজেলা সদরে হেফাজত সমর্থক ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ব্যানারে পৃথক দুইটি প্রতিবাদ সমাবেশ আহ্বান করা হয়। ওই সমাবেশে দুটিতে তৎকালীন উপজেলা প্রশাসন ও থানা-পুলিশ সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও অংশ নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।

আরও জানা যায়, সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা নাসিরনগর সদরে হিন্দুদের মন্দির ও বাড়িঘরে হামলায় চালায়। পরবর্তীতে ওই এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও হিন্দুদের একাধিক বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় নাসিরনগর থানায় মোট আটটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর গৌরমন্দির ভাঙচুর মামলায় নাসিরনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম ও হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান আতিকুর রহমান আখিসহ ২২৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয় পুলিশ।

এ জাতীয় আরও খবর

শেখ রাসেলের জন্মদিনে ৫৮ কেজি ওজনের কেক কাটলেন মেয়র জাহাঙ্গীর

বিনা ভোটে নির্বাচিত হচ্ছেন ১৮ চেয়ারম্যান

‘প্রশাসনে বাংলাদেশি যেমন আছে, অসংখ্য পাকিস্তানিও আছে’

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের আহ্বান

শিশু শ্রমে নির্মাণ হচ্ছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর

পীরগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় মতবিনিময়

বিএনপি-জামায়াত বা তৃতীয় শক্তির জড়িত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পীরগঞ্জে জেলে পল্লিতে হামলার প্রতিবাদে দিনাজপুরে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

উপকূলে ৩নং সতর্ক সংকেত, দক্ষিণাঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা

‘শেখ রাসেল স্বর্ণ পদক’ বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

কোন শিশুকে যেন রাসেলের ভাগ্যবরণ করতে না হয়: প্রধানমন্ত্রী

ফতুল্লায় মিশুক চালককে হত্যার দুই ঘাতক গ্রেপ্তার