আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

অবৈধ বালু উত্তোলন, ঝুঁকিতে রেল ও সড়ক সেতু

news-image

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কে গড়াই নদীর ওপর নির্মিত মীর মশাররফ হোসেন সেতুসহ তৎসংলগ্ন গড়াই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে নিচ্ছে বালুখোরের দল। কুষ্টিয়ায় বালু ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন- লঙ্ঘন করে এই বালু উত্তোলন করায় শত কোটি টাকা ব্যয়ে মীর মশাররফ হোসেন সেতুসহ পার্শ্ববর্তী রেলসেতুটি চরম ঝ্্ুঁকির মধ্যে পড়েছে। কুষ্টিয়ার সংশ্লিষ্ট রাজস্ব বিভাগের তথ্যমতে, জেলার ২১টি বালু মহালের মধ্যে উল্লেখিত জয়নাবাদ, রাহিনীপাড়া ও ছেউড়িয়া মৌজাভুক্ত ৭১ একর জমির ওপর ৬৬ লাখ টাকা সরকারী মূল্যমানের বালু মহালটি চলতি অর্থবছরে কাউকে ইজারা দেয়া হয়নি। গড়াই নদীর রেল ও সড়ক সেতুর নিকট বালু মহাল থেকে যারা বালু উত্তোলন করছেন তা অবৈধভাবেই করছেন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী আমিরুল ইসলাম জানান, ‘প্রতিদিন এখান থেকে এক্সেভেটর দিয়ে সরাসরি ব্রিজের নিচ থেকে শত শত ড্রাম ট্রাক, ট্রলি ভর্তি করা হচ্ছে। প্রতি ড্রাম ট্রাক থেকে ১ হাজার ৭শ’ এবং ছোট ট্রলি প্রতি ২শ’ ৫০ টাকা করে টোল নিচ্ছেন ইজারাদারের লোক।’ কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিরুল ইসলামের অভিযোগ করেন, ‘কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের মীর মশাররফ হোসেন সেতু সংলগ্ন নদীর মধ্য থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার ফলে সেতুটি চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে, এমন বিষয়টি জানিয়ে প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।’ এ ছাড়া আমি নিজেও সরেজমিন গিয়ে দেখে এসেছি সেখানে অন্তত ডজন খানেক এক্সেভেটর এবং বেলোটার (মাটিকাটা যন্ত্র) ব্যবহার করে ট্রাক ভর্তি করে দেয়া হচ্ছে। আইন না মেনে অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে এই বালু উত্তোলনের ফলে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে এ অঞ্চলের সমগ্র যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর প্রভাব পড়বে।

এদিকে বালু মহালের ইজারা নিয়েই সেতুর ভাটি থেকে আমরা বালু উত্তোলন করছি এমন কথা স্বীকার করে বালি উত্তোলনকারী এসএম রাশেদ বলেন, ‘আমাদের যেখানে দেখিয়ে দেয়া হয়েছে সেখান থেকেই বালু তুলছি। এতে সেতুর কোন ক্ষতি হবেনা।’ কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘জেলার মোট ২১টি বালুমহাল আছে ইজারাযোগ্য। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরে সবগুলো ইজারা দেয়া হয়নি। যেগুলো ইজারা দেয়া হয়েছে এবং যারা ইজারা নিয়েছেন, তাদের আইনগত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০’র বিধি অনুসরণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের মশাররফ হোসেন সড়ক সেতুটি জয়নাবাদ, রাহিনীপাড়া ও ছেউড়িয়া মৌজাভুক্ত ৭১ একর জমির বালু মহালের মধ্যে স্থাপিত। প্রথম কথা এই বালুমহালটি চলতি অর্থবছরে কোন ইজারা দেয়া হয়নি। সেই সঙ্গে বিধি অনুযায়ী নদীর ওপর সড়ক বা রেল সেতু যেখানে আছে সেখানে উজান এবং ভাটির এক হাজার মিটার বা ১ কি. মি. দূরত্বের মধ্যে কোনভাবেই বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না। কেউ এই আইন ভেঙ্গে বালু উত্তোলন করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ জাতীয় আরও খবর

বাঁশখালীতে বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিস্ফোরণ

মানিকগঞ্জে পদ্মা সেতুর লাইভ অনুষ্ঠানে অস্ত্র নিয়ে মহড়া, সাংবাদিক গ্রেপ্তার

উল্লাসে মেতেছে পদ্মা পাড়ের মানুষ

চার মাস না যেতেই উঠছে ৯ কোটি টাকার সড়কের পিচ

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পিঠা উৎসব

নদী ভাঙা মানুষের বিলাপ

সাঁতরে মঞ্চে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলল কিশোরী

বঙ্গবন্ধুর শ্রেষ্ঠ উপহার স্বাধীনতা, আর প্রধানমন্ত্রীর শ্রেষ্ঠ উপহার পদ্মা সেতু : পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী

সেতুর উদ্বোধনে ফায়ার সার্ভিসের শোভাযাত্রা

‘নতুন ইতিহাস’ রচনার সংকল্পের দিন

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন

বনানীতে ভবন থেকে পড়ে প্রকৌশলীর মৃত্যু