আমরা নিরপেক্ষ নই আমরা সত্যের পক্ষে

অবৈধভাবে বালু তোলার কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না

news-image

অবৈধভাবে বালু তোলার কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ করা হলেও প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী স্থানীয় জনগণ।

নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন, আমরা মিটিং করেছি। ভেজা বালু উত্তোলন, বিক্রি এবং পরিবহন না করার শর্তে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। তারা জানিয়েছে, আগামী ২০ তারিখের পর থেকে আর ভেজা বালু বিক্রি করবে না এবং ওভারলোড নেবে না। আমরা বিষয়টি মনিটরিং করবো।তারা যদি কথা না রাখে তবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে। তারপরও যদি রাস্তাঘাট নষ্ট করে; তাহলে ইজারা বাতিল করতে বাধ্য হবো।

উল্লেখ্য, চলতি বছর সোমেশ্বরীর ৫টি বালুমহাল ৭৩ কোটি সাড়ে ৮২ লাখ টাকায় ইজারা দেয় জেলা প্রশাসন।
পিরোজপুরের কচা নদীর ওপরে পৌনে এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু। কিন্তু, দক্ষিণাঞ্চলবাসীর এই স্বপ্নের সেতুই এখন পড়েছে হুমকির মুখে।

চলতি বছর জেলা সদরের দেওনাখালী মৌজায় বালুমহালের জন্য মিজান ব্যাপারি নামে এক ইজারাদারকে আড়াই একর জমি ইজারা দেয় জেলা প্রশাসন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কচা, সন্ধ্যা ও কালিগঙ্গা নদী তীরের দেওনাখালীসহ ৪ গ্রামের ৫টি মৌজার ৩০ একর জায়গা থেকে অপরিমিতভাবে বালু উত্তোলন করছেন। এতে হুমকির মুখে পড়েছে অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু ও হুলারহাট লঞ্চ টার্মিনালসহ প্রায় ১২টি গ্রামের মানুষের বসতি, কৃষি জমি ও সম্পদ। স্থানীয়রা বলেন, যেভাবে বালু তুলছে তাতে নদী ভাঙবে নিশ্চিত। তাতে আমাদের বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে।
বালুমহালের জন্য আড়াই একর জায়গায় ২টি বাল্কহেডের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু অবৈধভাবে ৬টি বাল্কহেড দিয়ে বালু উত্তোলন করছেন।

এদিকে, নদী ভাঙনে সদরের দেওনাখালী গ্রামটি ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে। ব্লক দেয়ার কারণে গত আট-দশ বছর স্টিমার ঘাট ও মরিচাল গ্রামটি ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পেলেও, সম্প্রতি শুরু হওয়া বালু উত্তোলনের কারণে আবারও হুমকির মুখে পড়েছে। বালি উত্তোলন বন্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেও স্থায়ী কোন সমাধান পায়নি বলে জানায় এলাকাবাসী। তারা বলেন, একবার মাত্র জরিমানা করা হয়েছিল। তারপর আর কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

জেলা প্রশাসন বলছে, নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে বালু উত্তোলন করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, যদি নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে বালু উত্তোলন করা হয় অবশ্যই এর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। পিরোজপুরের ৪টি বালুমহাল থেকে ৫০ বাল্কহেড দিয়ে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন করা হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

অভিযানের খবরে ড্রেজার রেখে পালালেন অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা

আনোয়ারায় বালু ব্যবসায়ীকে জরিমানা

মাটিকে গুরুত্ব দিয়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নাশকতা মামলায় বিএনপির বদলে আ.লীগ নেতা আটক পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ দলীয় নেতাকর্মী

ধোপাজান নদীর বালু-পাথরের টাকা সিন্ডিকেটের পকেটে

পদ্মার চরে মাটি-বালু লুট চলছেই

শঙ্খ নদী থেকে বালু উত্তোলন, জরিমানা

চাঁঁদপুরের মেঘনা পাড়ের মাটি কাটায় ৪ জনকে দুই লাখ টাকা জরিমানা

নালিতাবাড়ীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, জরিমানা আদায়

টাঙ্গাইলে চায়নার ডেইরি ফিডের জন্য নিশ্চিহ্ন হচ্ছে জমি ও শতাধিক বাড়ি

আমরা উন্নয়ন করি, আর বিএনপি মানুষ খুন করে: প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে ২৯ প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর